প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
গত ১৭ বছর ধরে আওয়ামী লীগ শিক্ষাব্যবস্থাকে বাজে অবস্থায় পরিণত করেছে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য এবং ঢাকা-৩ আসনের সংসদ সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায়। তিনি বলেছেন, ‘পাসের হার বাড়ানোর জন্য তাদের কাছে ফেল বলতে কোনো শব্দ ছিল না।
মেধাবীদের মেধার কোনো মূল্যায়ন করা হতো না, গড় হারে সবাইকে পাস দেওয়া হতো। বিদেশে গেলে আমাদের ছাত্রদের সার্টিফিকেট ছুড়ে ফেলে দেওয়া হয়। মূল্যায়ন করা হয় না।’
শনিবার (২০ জুন) সকালে কেরানীগঞ্জ মহিলা ডিগ্রি কলেজ মাঠে এইচএসসি ও ডিগ্রি পরীক্ষার্থীদের বিদায় অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে গয়েশ্বর চন্দ্র রায় বলেন, ‘সার্টিফিকেট জোগাড় করে বড় বড় চাকরি জোগাড় করা যায়, কিন্তু প্রকৃত শিক্ষিত হওয়া যায় না। শিক্ষিত তখন হয়ে উঠতে পারে, যখন তার অর্জিত জ্ঞান মানব কল্যাণে ব্যয় করা যায় এবং মানুষ তাকে দেখে ভালো কাজে আগ্রহী হয়।’
তিনি ব্যাখ্যা করেন, ‘কাজী নজরুল ইসলাম ও রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের বড় সার্টিফিকেট ছিল না। তবুও তাদের কিন্তু জ্ঞানের ভাণ্ডার ছিল।
তাহলে প্রকৃত শিক্ষা সেটাই, যেটা মানুষের জন্য এবং দেশের জন্য হয়।’ শিক্ষার্থীদের প্রকৃত শিক্ষায় শিক্ষিত হওয়ার আহ্বান জানান তিনি।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট নিপুণ রায় বলেন, ‘আজকের মেয়েদের ঘর সামলানোর সঙ্গে সঙ্গে রাষ্ট্র সামলানোর দায়িত্ব নিতে হবে। প্রচলিত পুরুষশাসিত সমাজ থেকে বের হয়ে নারীদের আগামী সমাজ গঠনে ভূমিকা রাখতে হবে। নারী শক্তি হবে কেরানীগঞ্জের সবচেয়ে বড় শক্তি।’
অনুষ্ঠানে কলেজটি সরকারিকরণের জন্য শিক্ষার্থী এবং কলেজ কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে আহ্বান জানানো হয়।
বিদায় অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানার বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মোযাদ্দেদ আলী বাবু, থানা বিশেষ সদস্য নাজিম উদ্দিন মাস্টার, আগানগর ইউনিয়ন বিএনপি সভাপতি আরসাদ রহমান সপু, হাজি ইমান উল্লাহ মস্তান, সামী উল্লাহসহ প্রমুখ।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন