প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
ন্যাটো সম্মেলনের সময় মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের বিমানে হামলার বিষয়টি ঘিরে একটি তীব্র বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে।
আঙ্কারায় ট্রাম্পের এয়ার ফোর্স ওয়ান লক্ষ্য করে ইরানি গুপ্তচরদের কাঁধ থেকে নিক্ষেপ করা ক্ষেপণাস্ত্র (ম্যানপ্যাডস) হামলার যে গোপন তথ্য ইসরায়েলি গোয়েন্দা সংস্থা প্রদান করেছে, তা পুরোপুরি ভুয়া এবং রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে তৈরি করা মনে করছেন তুর্কি নিরাপত্তা কর্মকর্তারা।
গত মাসে অনুষ্ঠিত এই সম্মেলনে, ইসরায়েলি গোয়েন্দা তথ্যের ওপর ভিত্তি করে সিআইএ এবং মার্কিন সিক্রেট সার্ভিস ট্রাম্পের নিরাপত্তার জন্য নজিরবিহীন বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ করে। মূল বিমানটি পরিবর্তন করা থেকে শুরু করে ক্যাটারিং গাড়ির মাধ্যমে ট্রাম্পকে গোপনে অন্য বিমানে সরিয়ে নেওয়ার নাটকীয় ঘটনাও ঘটেছিল।
তবে তুর্কি নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞরা বলছেন, তুরস্কের অত্যন্ত কঠোর নিরাপত্তার মধ্যে কোনো ইরানি গোষ্ঠীর পক্ষ থেকে এভাবে ক্ষেপণাস্ত্র আনা কিংবা হামলা চালানো বাস্তবসম্মত ছিল না। তাদের দাবি, মূলত যুক্তরাষ্ট্র এবং ইরানের মধ্যে চলমান শান্তি আলোচনা এবং হরমুজ প্রণালি পুনরায় চালুর যে সম্ভাবনা তৈরি হয়েছিল, তা বিপর্যস্ত করতেই এই নাটক সাজিয়েছিলেন নেতানিয়াহু সরকার।
ট্রাম্প এবং এরদোয়ানের মধ্যকার ইতিবাচক বৈঠকে তুরস্ককে এফ-থার্টিফাইভ যুদ্ধবিমান সরবরাহের যে আলোচনা চলছিল, তা নস্যাৎ করাও এই ভুয়া গোয়েন্দা তথ্যের অন্যতম লক্ষ্য ছিল বলে মনে করছে আঙ্কারা।
তেল আবিব এবং হোয়াইট হাউসের পক্ষ থেকে এ বিষয়ে সরাসরি কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি, তবে বিশ্ব রাজনীতির অভ্যন্তরে এ টানাপোড়েন নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে।
সূত্র: মিডলইস্ট আই
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন