প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
ভূমিমন্ত্রী মিজানুর রহমান মিনু বলেছেন, বরেন্দ্র সভ্যতার ইতিহাস ও ঐতিহ্য ধারণ করে শিক্ষার্থীদের সুনাগরিক হিসেবে গড়ে উঠতে হবে। এই প্রতিষ্ঠান থেকে অর্জিত মেধা ও উচ্চশিক্ষাকে যাতে কাজে লাগিয়ে নিজেদের বিকশিত করা যায় এবং দেশসেবায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে হবে। তিনি আশা প্রকাশ করেন, বরেন্দ্র কলেজ আগামীতে এ অঞ্চলের শিক্ষা ও সংস্কৃতির অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র হিসেবে নিজেদের অবস্থান আরও সুদৃঢ় করতে সক্ষম হবে।
শনিবার সকালে রাজশাহী বরেন্দ্র কলেজ চত্বরে উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষার্থীদের বিদায় সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রেখে তিনি এসব কথা বলেন।
বরেন্দ্র অঞ্চলের গৌরবোজ্জ্বল ইতিহাস তুলে ধরে মন্ত্রী আরও বলেন, বরেন্দ্র অঞ্চল বাংলাদেশের অন্যতম প্রাচীন জনপদ, যার সভ্যতার ইতিহাস প্রায় ৩ থেকে ৪ হাজার বছরের পুরোনো। এ অঞ্চলের সংস্কৃতি, ভাষা ও শিক্ষা প্রাচীনকাল থেকেই মানুষকে আলোকিত করে আসছে।
তিনি রাজশাহীর ত্যাগ ও গৌরবের ইতিহাস স্মরণ করে উল্লেখ করেন, ১৯৬৯ সালের গণ-অভ্যুত্থানের শহীদ ড. জোহা এবং ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধে বীরশ্রেষ্ঠ মহিউদ্দিন জাহাঙ্গীরের আত্মত্যাগে এই মাটি সমৃদ্ধ হয়েছে। তিনি শিক্ষকদের প্রতি আহ্বান জানান, যাতে শিক্ষার্থীদের কাছে এ অঞ্চলের সমৃদ্ধ ইতিহাস ও ঐতিহ্য বিস্তারিতভাবে তুলে ধরা যায়।
শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে মন্ত্রী বলেন, জীবনের লক্ষ্য শুরুতেই নির্ধারণ করে নিতে হবে। কেবল রাজনীতি নয়, বরং দক্ষ প্রকৌশলী, চিকিৎসক, বিজ্ঞানী কিংবা আইনজীবী হয়ে সমাজ ও মানবতার কল্যাণে কাজ করতে হবে।
তিনি শিক্ষার্থীদের প্রতি আহ্বান করেন, যেন তারা শিক্ষক-শিক্ষিকাদের প্রতি শ্রদ্ধাশীল থাকে এবং তাঁদের পরামর্শ ও অনুশাসন মেনে চলেন।
মন্ত্রী আরও বলেন, বরেন্দ্র কলেজ সরকারিকরণের জন্য উপযুক্ত অবস্থানে রয়েছে। প্রতিষ্ঠানটি যেন ভবিষ্যতে বিশ্বমানের মেধাবী শিক্ষার্থী গড়ে তুলতে পারে, সে লক্ষ্যে তিনি প্রচেষ্টা চালিয়ে যাবেন।
রাজশাহী বরেন্দ্র কলেজের সভাপতি তৌফিকুর রহমান লাবলুর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য প্রদান করেন রাজশাহী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান আবুল কালাম আজাদ সুইট। স্বাগত বক্তব্য দেন কলেজের অধ্যক্ষ রণজিৎ কুমার সাহা।
অনুষ্ঠানে সরকারি-বেসরকারি বিভিন্ন দফতরের কর্মকর্তা-কর্মচারী, শিক্ষক-শিক্ষার্থী, সুধীজন এবং গণমাধ্যমকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানের শুরুতে মন্ত্রী উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষার্থীদের হাতে প্রবেশপত্র ও রেজিস্ট্রেশন কার্ড তুলে দেন।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন