প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
গাজায় ইসরাইলি হামলায় অন্তত ছয় ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন বলে স্থানীয় স্বাস্থ্য কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে। তারা জানায়, উপত্যকার উত্তরাঞ্চলের জাবালিয়া শরণার্থী শিবিরে বিমান হামলা চালিয়েছে দখলদাররা। এদিকে হামাসের নিরস্ত্রীকরণ নিয়ে অচলাবস্থায় আটকে আছে যুদ্ধবিরতির পরবর্তী ধাপ।
গাজায় যুদ্ধবিরতি টিকিয়ে রাখতে কূটনৈতিক তৎপরতা চললেও রক্তপাত থামছে না। স্থানীয় সময় রোববার (১৪ জুন) উপত্যকার উত্তরাঞ্চলের জাবালিয়া শরণার্থী শিবিরে বিমান হামলা চালায় ইসরাইলি সেনারা। এতে বেশ কয়েকজন নিহত হয়েছেন বলে খবর পাওয়া গেছে।
এছাড়া দক্ষিণের খান ইউনিস ও গাজা সিটিতে পৃথক গুলির ঘটনায় আরও বেশ কিছু লোক প্রাণ হারিয়েছেন।
একই সঙ্গে মিশর, কাতার ও তুরস্কের মধ্যস্থতায় হামাস ও অন্যান্য ফিলিস্তিনি গোষ্ঠীর সঙ্গে সপ্তাহব্যাপী আলোচনা শেষ হয়েছে। আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু ছিল যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্পের প্রস্তাবিত গাজা পরিকল্পনার দ্বিতীয় ধাপ বাস্তবায়ন। এতে হামাসের নিরস্ত্রীকরণ এবং গাজা থেকে ইসরাইলি সেনা প্রত্যাহারের বিষয়গুলি অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।
তবে সূত্রগুলো বলছে, ১৫ দফা রূপরেখার ১৪টি বিষয়ে সম্মতি মিললেও হামাসের অস্ত্র সমর্পণের প্রশ্নে এখনও মতপার্থক্য রয়ে গেছে।
স্বাধীন ফিলিস্তিন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার রাজনৈতিক প্রক্রিয়া শুরু না হলে পূর্ণ নিরস্ত্রীকরণ সম্ভব নয় বলে দাবি করছে হামাস। অপরদিকে ইসরাইলের দাবি, হামাসকে অস্ত্র ত্যাগ করতে হবে, গাজার ক্ষমতা ছাড়তে হবে এবং ভবিষ্যতের প্রশাসনে কোনো ভূমিকা রাখতে পারবে না।
ইসরাইলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু সরকারের পক্ষ থেকে বলা হচ্ছে, তারা ফিলিস্তিন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার অনুমতি দেবে না। ফলে যুদ্ধবিরতি নিয়ে ভবিষ্যৎ অনিশ্চয়তা আরও গভীর হচ্ছে।
এদিকে গাজার মানবিক সংকট নতুন মাত্রা পেয়েছে। স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকে নিহতের সংখ্যা ৭৩ হাজার ছাড়িয়ে গেছে এবং আহত হয়েছেন এক লাখ ৭৩ হাজারের বেশি মানুষ। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম দ্য গার্ডিয়ানকে আন্তর্জাতিক রেড ক্রস জানিয়েছে, ধ্বংসস্তূপের নিচে চাপা পড়া হাজারো মৃতদেহ এখনও শনাক্ত করা হয়নি।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন