প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
যুক্তরাজ্যভিত্তিক বিজ্ঞানবিষয়ক সাময়িকী নেচারের প্রকারভেদে প্রকাশিত সর্বশেষ ‘নেচার ইনডেক্স’-এ বাংলাদেশের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে গবেষণায় শীর্ষস্থান অর্জন করেছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (ঢাবি)। একই সূচকে গত বছরের তুলনায় ৭ ধাপ এগিয়ে বাংলাদেশের বৈশ্বিক তালিকায় ৫৪তম অবস্থানে উঠেছে।
নেচার ইনডেক্সের সবশেষ তথ্য অনুযায়ী, ১৯৪টি দেশের মধ্যে গবেষণায় বাংলাদেশের অবস্থান বর্তমানে ৫৪তম, যা গত বছর ছিল ৬১তম। অন্যদিকে, এশিয়া ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের দেশগুলোর মধ্যে বাংলাদেশ আগের অবস্থানের মতোই ১৩তম অবস্থানে রয়েছে। বিশ্বের ১৭৮টি শীর্ষস্থানীয় আন্তর্জাতিক বৈজ্ঞানিক সাময়িকীতে ২০২৫ সালের ১ মার্চ থেকে ২০২৬ সালের ২৮ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত প্রকাশিত গবেষণাপত্রের তথ্যের ভিত্তিতে এই সূচকটি প্রস্তুত করা হয়েছে।
সূচকের বিশ্লেষণে দেখা যায়, উল্লিখিত সময়কালে বাংলাদেশের বিজ্ঞানী ও গবেষকদের দ্বারা মোট প্রকাশিত গবেষণা নিবন্ধের সংখ্যা ১৪৩টি এবং গবেষণায় অবদানের হার (শেয়ার) ৩৫ দশমিক ৭৪ শতাংশ।
এর মধ্যে সর্বাধিক ২১টি গবেষণা নিবন্ধ প্রকাশ করে দেশের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে শীর্ষস্থান অর্জন করেছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়।
এই বিশাল অর্জনের জন্য বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, গবেষক ও শিক্ষার্থীদের অভিনন্দন জানিয়েছেন উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম। তিনি উল্লেখ করেন, নেচার ইনডেক্সে শীর্ষ গবেষণা প্রতিষ্ঠান হিসেবে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অবস্থান অত্যন্ত গৌরবের এবং এটি প্রমাণ করে যে আন্তর্জাতিক মানের গবেষণা ও জ্ঞানচর্চায় বিশ্ববিদ্যালয় দেশের মধ্যে নেতৃত্ব দিচ্ছে।
উপাচার্য বলেন, একবিংশ শতাব্দীর জ্ঞানভিত্তিক বিশ্বে গবেষণাই উন্নয়ন ও উদ্ভাবনের আসল চালিকাশক্তি।
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, জলবায়ু পরিবর্তন, জনস্বাস্থ্যসহ সমসাময়িক বৈশ্বিক চ্যালেঞ্জ মোকাবেলার ক্ষেত্রে গবেষণার কোনো বিকল্প নেই। গবেষণার মানোন্নয়ন, আন্তর্জাতিক সহযোগিতা সম্প্রসারণ এবং গবেষকদের প্রয়োজনীয় সহায়তা নিশ্চিত করতে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন নিরলসভাবে কাজ করছে বলেও তিনি জানিয়েছেন।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন