প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
খুলনা, ৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : খুলনা উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান এ্যাড. এসএম শফিকুল আলম মনা জানিয়েছেন, নগরীর সরকারি ও বেসরকারি হাসপাতালগুলোতে ডেঙ্গু রোগীর সংখ্যা এতটাই বেড়ে গেছে যে, সেখানে তিল ধারণের জায়গা নেই। এই পরিস্থিতি একটি বড় মানবিক সংকটে পরিণত হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, ডেঙ্গুর মতো গুরুতর সংকট মোকাবেলার জন্য শুধুমাত্র সরকারি বা কোনো একক সংস্থার ওপর নির্ভর করা উচিত নয়। এই সংকটের মোকাবেলায় প্রশাসন, জনপ্রতিনিধি, রাজনৈতিক দল, সামাজিক ও স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনসহ সাধারণ মানুষের একত্রিত হয়ে কাজ করা প্রয়োজন।
বর্তমান সরকার জনগণের দুর্ভোগ কমানোর জন্য বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ করে চলেছে। তবে এই দুর্যোগের মোকাবেলায় সম্মিলিত প্রচেষ্টার বিকল্প নেই। নগরবাসীকে তাদের নিজ নিজ বাড়ি ও আশপাশ পরিষ্কার রাখার জন্য আহ্বান জানান তিনি।
আজ বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ১০টায় কেডিএ’র উদ্যোগে নগরীর সোনাডাঙ্গা আবাসিক এলাকায় ডেঙ্গু প্রতিরোধ ও মশক নিধন অভিযানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
শফিকুল আলম মনা আরও উল্লেখ করেন, এডিস মশা নোংরা ড্রেন বা নর্দমায় জন্মায় না। বরং এটি আমাদের বাসা-বাড়ির চারপাশে জমা হওয়া পরিষ্কার পানিতে জন্ম নেয়। টব, ডাবের খোসা, পরিত্যক্ত টায়ার, প্লাস্টিকের পাত্র বা এয়ার কন্ডিশনারের জমানো পানি যদি ৩ দিনের বেশি থাকে, তাহলে সেখানে এডিস মশা বংশবৃদ্ধি করে। তাই আমাদের স্লোগান হওয়া উচিত সপ্তাহে একদিন, জমা পানি ফেলে দিন।
এ সময় কেডিএ’র সদস্য (এস্টেট) মো. ইকবাল হোসেন (উপ-সচিব), সদস্য (উন্নয়ন) রুহুল আমিন কুতুবুদ্দিন আহমাদ, পরিচালক (এস্টেট) ড. জাকিয়া সুলতানা, তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী মো. মজিবুর রহমান, স্থপতি জিনিয়া হক পিংকি, সিনিয়র বৈষয়িক কর্মকর্তা মো. আব্দুল্লাহ্ কবি সাদ, পরিকল্পনা কর্মকর্তা মো. তানভীর আহমেদ, উপ-পরিচালক মো. মামুনুল আবেদীন, মো. ইজাদুর রহমান, অর্থ ও হিসাবরক্ষণ কর্মকর্তা মো. সাঈদুল হক, উপ-পরিচালক মো. সাইফুল ইসলাম, অর্থরাইজড অফিসার মোরতোজা আল মামুন ও নির্বাহী প্রকৌশলী (রক্ষণাবেক্ষণ) মুনতাসির মামুন প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন