প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত পার্বত্য অঞ্চলে বসবাসরত বন্যা কবলিত মানুষের অবস্থার উন্নতি এবং অবকাঠামোগত সংস্কার শুরু করতে প্রয়োজনীয় সমন্বিত কর্মসূচি গ্রহণের তাগিদ দিয়েছেন।
মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, মঙ্গলবার বান্দরবান পার্বত্য জেলায় অতিবৃষ্টি ও বন্যা পরিস্থিতি সংক্রান্ত প্রশাসনের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা, জনপ্রতিনিধি এবং বিভিন্ন সংস্থার প্রতিনিধিদের নিয়ে একটি মতবিনিময় সভার আয়োজন করা হয়, সেখানে এ তাগিদ দেন।
সভায় আলোচিত হয় জেলার সার্বিক পরিস্থিতি, উন্নয়ন কার্যক্রম, জনদুর্ভোগ, অবকাঠামোগত সমস্যা, প্রাকৃতিক দুর্যোগ মোকাবিলা এবং বিভিন্ন প্রশাসনিক চ্যালেঞ্জ। এই সভায় প্রতিমন্ত্রী সংশ্লিষ্ট সকলের মতামত ও পর্যবেক্ষণ মনোযোগ সহকারে শোনেন এবং সমস্যা সমাধানে সমন্বিত ও কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণের গুরুত্ব তুলে ধরেন।
মতবিনিময় সভায় উপস্থিত ছিলেন বান্দরবান সংসদ সদস্য সাচিং প্রু জেরী, সংরক্ষিত নারী আসনের তিন পার্বত্য জেলার সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট মাধবী মার্মা, বান্দরবানের ডিসি মো. সানিউল ফেরদৌস, পুলিশ সুপার মো. ওহাবুল ইসলাম খন্দকার, সিভিল সার্জন ডা. মোহাম্মদ শাহীন হোসাইন চৌধুরী, প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, বিভিন্ন দপ্তরের প্রতিনিধি এবং জনপ্রতিনিধিবৃন্দ।
মত বিনিময় সভায় প্রতিমন্ত্রী বলেন, অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতির শিকার এই মানুষগুলোর দুঃখ-দুর্দশা নিরসনসহ সদর হতে উপজেলা এবং ইউনিয়ন পর্যায়ে যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়ন করতে হবে, যাতে পার্বত্য এলাকার ক্ষয়-ক্ষতি পুষিয়ে নেওয়া যায়।
তিনি সকলের প্রতি স্পষ্ট বার্তা দেন, প্রত্যেক ব্যক্তির কাছে নিজ নিজ দপ্তরের আওতাধীন প্রতিটি কাজের তথ্য উপাত্ত যথাযথভাবে সংরক্ষণ করার প্রয়োজন, যেন পুনর্বাসনের সময় কেউ বাদ না যায়।
উল্লেখ্য, গত ১০ জুলাই মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে একটি বিশেষ সরকারি গেজেটের মাধ্যমে চট্টগ্রাম বিভাগে সাম্প্রতিক বন্যাজনিত দুর্যোগ মোকাবিলায় উদ্ধার, ত্রাণ বিতরণ ও পুনর্বাসন কার্যক্রমের গতিশীলতা ও সুসমন্বিত করার লক্ষ্যে বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিতকে বিশেষ দায়িত্ব দেওয়া হয়। এর পরের দিন সকালে তিনি চট্টগ্রাম পৌঁছানোর পর বিভিন্ন উপজেলার বন্যার্তদের মাঝে ত্রাণ বিতরণ করেন এবং সরকারের বিভিন্ন দপ্তরের উর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সাথে বৈঠক করেন। পরবর্তীতে রাঙামাটি ও কক্সবাজারের বন্যার্তদের মাঝে ত্রাণ বিতরণ এবং বিভিন্ন দপ্তরের দপ্তরপ্রধানদের সাথে বৈঠক করেন।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন