প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
রাশিয়া ও ইউক্রেন পাল্টাপাল্টি হামলা চালাচ্ছে। গত ২৪ ঘণ্টায় মস্কো ইউক্রেনের সামরিক বিমানঘাঁটি ও জ্বালানি-পরিবহন অবকাঠামোতে ব্যাপক হামলা করেছে। এর জবাবে কিয়েভ রোস্তভ অঞ্চলের সামরিক স্থাপনায় পাল্টা হামলা চালানোর দাবি করেছে। এ অবস্থায় বড় ধরনের রুশ হামলার শঙ্কা প্রকাশ করেছেন প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি।
রাশিয়া দাবি করেছে, ইউক্রেনের সামরিক ঘাঁটি, জ্বালানি ও পরিবহন অবকাঠামোকে লক্ষ্য করে দূরপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন নিয়ে ব্যাপক হামলা চালানো হয়েছে। তারা জানায় ১৪৮টি এলাকায় ইউক্রেনীয় সেনা ও বিদেশি যোদ্ধাদের অবস্থানে আঘাত হানা হয়েছে।
এদিকে, ইউক্রেনের একটি ড্রোন জাপোরিঝিয়া পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের টারবাইনে আঘাত হানার বিষয়ে অভিযোগ করেছেন পারমাণবিক জ্বালানি প্রতিষ্ঠান রোসাটমের প্রধান অ্যালেক্সি লিখাচেভ। তবে তিনি জানান, এতে কোনো হতাহতের ঘটনা ঘটেনি।
অন্যদিকে, ইউক্রেন দাবি করেছে, রাশিয়ার রোস্তভ অঞ্চলের সামরিক স্থাপনায় ড্রোন হামলা করে ইস্কান্দার ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থা এবং দুটি টিইউ-১৪২ সামরিক বিমান ধ্বংস করা হয়েছে। এ ছাড়া জেলেনস্কি বাহিনী রাশিয়ার বিভিন্ন জ্বালানি স্থাপনাতেও হামলা চালিয়েছে।
তাদের দাবি, এই হামলা রাশিয়ার যুদ্ধ চালানোর সক্ষমতা কমিয়ে দিচ্ছে। একই সময়ে ইউক্রেন জাপোরিঝিয়া পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রে ড্রোন হামলা নিয়ে রাশিয়ার অভিযোগ অস্বীকার করেছে এবং বলেছে যে এটি ভিত্তিহীন প্রচারণা।
এখন পর্যন্ত বড় ধরনের রুশ হামলার আশঙ্কা রয়ে গেছে বলেও সতর্ক করেছেন ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি। তিনি জানান, এ বিষয়ে মিত্র দেশগুলো রাশিয়ার সঙ্গে যোগাযোগ করেছে। শিগগিরই নতুন বৈঠক ও প্রতিনিধি পর্যায়ের আলোচনা হতে পারে।
জেলেনস্কি বলেন, 'বড় ধরনের হামলার আশঙ্কা এখনো রয়েছে। আমাদের মিত্ররা রাশিয়ার সঙ্গে কথা বলেছে। তবে রাশিয়া তাদের অবস্থান বদলাবে, এমন আশা খুব কম। তাই সবাইকে সতর্ক থাকতে হবে। বিপদের সংকেত পেলেই দ্রুত নিরাপদ স্থানে চলে যান এবং নিজের জীবন রক্ষায় প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিন।'
বিশ্লেষকরা মনে করেন, দুই পক্ষের পাল্টাপাল্টি হামলা ও কঠোর অবস্থানে যুদ্ধ থামার কোনো লক্ষণ এখনই দেখা যাচ্ছে না। তারা বলছেন, মস্কো ও কিয়েভ সামরিক অভিযান ও কূটনৈতিক তৎপরতা, দুই পথেই নিজেদের অবস্থান শক্ত করার চেষ্টা করে যাচ্ছে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন