প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
খাগড়াছড়ির রামগড় এবং দীঘিনালা উপজেলার পৃথক দুটি ঘটনায় পাহাড়ের আঞ্চলিক সংগঠন ইউনাইটেড পিপলস ডেমোক্রেটিক ফ্রন্টের (ইউপিডিএফ-প্রসীত গ্রুপ) দুই সদস্য মারা গেছেন।
বুধবার, ২৪ জুন, সকালে রামগড় উপজেলার তৈকাথান এলাকায় প্রথম গোলাগুলির ঘটনা ঘটে। রামগড়ে সেনাবাহিনীর সঙ্গে গোলাগুলির সময় একজন মারা যান এবং দীঘিনালায় দুর্বৃত্তদের গুলিতে অপর একজন নিহত হন। এছাড়াও, গুলিবিদ্ধ অবস্থায় আরও একজনকে আটক করা হয় এবং একটি একে-৪৭ রাইফেল উদ্ধার হয়।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সেনাবাহিনীর সিন্দুকছড়ি জোনের একটি টহল দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযানে যায়। টহল দলটিকে লক্ষ্য করে সশস্ত্র ব্যক্তিরা গুলি ছোঁড়ে। এতে উভয়পক্ষের মধ্যে গোলাগুলি শুরু হয়।
ওই ঘটনায় ঘটনাস্থলে ইউপিডিএফের সদস্য ববিন ত্রিপুরা (৩২) মারা যান। গুলিবিদ্ধ অবস্থায় আরেক ইউপিডিএফ কর্মী মংসানু মারমা ওরফে জীবন (২৯) আটক হন এবং ঘটনাস্থল থেকে একটি একে-৪৭ রাইফেল উদ্ধার করেছে পুলিশ।
অন্যদিকে, একই দিন দুপুরে দীঘিনালা উপজেলার বাবুছড়া ইউনিয়নের মুড়োপাড়া চৌমুহনী এলাকায় দুর্বৃত্তদের গুলিতে সুজন চাকমা (৪৮) নামে অপর একজন ইউপিডিএফ সদস্য নিহত হন। জানা যায়, সাংগঠনিক কাজে তিনি স্থানীয় একটি দোকানে ছিলেন। সেই সময় কয়েকজন অস্ত্রধারী তাকে লক্ষ্য করে গুলি চালিয়ে পালিয়ে যায়।
দীঘিনালার হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় ইউপিডিএফ, পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতিকে (জেএসএস-সন্তু লারমা গ্রুপ) দায়ী করেছে। তবে এ বিষয়ে জেএসএস-এর কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি। এক বিবৃতিতে, ইউপিডিএফ ববিন ত্রিপুরাকে নিজেদের সাধারণ কর্মী বলে দাবি করেছে।
রামগড় ও দীঘিনালা থানার পুলিশ পৃথকভাবে ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছে। পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, উভয় ঘটনার তদন্ত চলছে এবং নিহতদের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য খাগড়াছড়ি আধুনিক সদর হাসপাতালে পাঠানোর প্রস্তুতি নেয়া হচ্ছে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন