প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
জ্বালানি খাতে বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে সহযোগিতা আরও জোরদারের জন্য উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এই লক্ষ্যে তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) ও তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাস (এলপিজি) খাতে সহযোগিতা সম্প্রসারণ এবং দুই দেশের মধ্যে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরের সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা করেছে উভয় পক্ষ।
মঙ্গলবার (৪ আগস্ট) সচিবালয়ে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন ঢাকায় নিযুক্ত যুক্তরাষ্ট্র দূতাবাসের রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক কাউন্সেলর এরিক গিলান। এ সময় দূতাবাসের অর্থনৈতিক কর্মকর্তা জোসেফ বসকি তার সঙ্গে ছিলেন।
বৈঠকে বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে জ্বালানি খাতে বিদ্যমান সম্পর্ক আরও বিস্তৃত ও গভীর করার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়। দুই দেশের মধ্যে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরের পাশাপাশি অগ্রাধিকারভিত্তিক সহযোগিতার ক্ষেত্র নির্ধারণে উভয় পক্ষ আগ্রহ প্রকাশ করেছে।
বৈঠকে বাংলাদেশের জ্বালানি খাতে যুক্তরাষ্ট্রের ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানের অংশগ্রহণ বাড়ানো এবং সরকার টু সরকার (জিটুজি) সহযোগিতা জোরদারের বিষয়ে আলোচনা করা হয়। বিশেষ করে প্রধানমন্ত্রীর আসন্ন যুক্তরাষ্ট্র সফরকে সামনে রেখে এই সহযোগিতার প্রক্রিয়া আরও এগিয়ে নেওয়ার বিষয়ে মতবিনিময় করা হয় প্রতিনিধিদের মধ্যে।
এ ছাড়া জ্বালানি খাতের বিদ্যমান বিভিন্ন চ্যালেঞ্জ এবং তা মোকাবেলায় বাস্তবসম্মত পদক্ষেপ নিয়েও খোলামেলা আলোচনা করা হয়, যাতে বাংলাদেশের জ্বালানি নিরাপত্তা আরও শক্তিশালী করা যায়।
বৈঠকে জ্বালানিমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ সম্ভাব্য সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোর সঙ্গে দ্রুত আরও বৈঠকের আয়োজনের অনুরোধ জানান, যাতে বিষয়গুলো বিস্তারিত আলোচনা করে সহযোগিতার প্রক্রিয়া ত্বরান্বিত করা যায়।
তিনি যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে জ্বালানি অংশীদারি আরও শক্তিশালী করার বিষয়ে সরকারের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন।
অন্যদিকে এরিক গিলান ফলপ্রসূ আলোচনার জন্য জ্বালানিমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানান এবং বাংলাদেশের জ্বালানি খাতের উন্নয়নে যুক্তরাষ্ট্র দূতাবাসের সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে বলে আশা প্রকাশ করেন। এ সময় বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন