প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
শরীয়তপুরের নড়িয়া ভূমি অফিসে কর্মরত ভূমি কর্মকর্তা কামরুজ্জামানকে ঘিরে সম্পদের উৎস এবং সরকারি ভূমি উন্নয়ন করের টাকা আত্মসাতের অভিযোগ নিয়ে বিভিন্ন মহলে আলোচনা তৈরি হয়েছে।
অভিযোগকারীদের দাবি, গাজীপুরের উত্তর ছায়াবিথী এলাকার নূরজাহান টাওয়ারে তার অথবা পরিবারের সদস্যদের নামে একাধিক ফ্ল্যাট এবং পাশের এলাকায় একটি প্লট রয়েছে।
অভিযোগকারীরা বলেন, একজন সরকারি কর্মকর্তার পরিচিত আয়ের সঙ্গে এসব সম্পদের সামঞ্জস্য রয়েছে কি না, তা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে যাচাই করা প্রয়োজন। তারা সম্পদের উৎস, আয়কর নথি, সম্পদ বিবরণী এবং আর্থিক লেনদেন পর্যালোচনার জন্য দাবি জানিয়েছেন।
অভিযোগের প্রেক্ষাপটে সংশ্লিষ্টরা গাজীপুরের কাপাসিয়া উপজেলার কুশদী ইউনিয়ন ভূমি অফিসে কামরুজ্জামানের দায়িত্ব পালনকালের একটি বিশেষ নিরীক্ষা প্রতিবেদনের কথাও উল্লেখ করছেন। হিসাব তত্ত্বাবধায়ক (রাজস্ব), গাজীপুর-২ কার্যালয়ের ২ মার্চ ২০২২ তারিখের বিশেষ নিরীক্ষা প্রতিবেদনে ভূমি উন্নয়ন কর আদায়ের হিসাবের সঙ্গে সরকারি রেজিস্টারের গরমিলের বিষয়টি উল্লেখ করা হয়েছিল। ওই প্রতিবেদনে প্রায় ১৫ লাখ ৩২ হাজার ৭৭৫ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ উত্থাপন করা হয় ভূমি কর্মকর্তা কামরুজ্জামানের বিরুদ্ধে।
প্রতিবেদনটিতে বিভিন্ন মৌজার ভূমি উন্নয়ন কর আদায়ের অর্থ সরকারি হিসাবে যথাযথভাবে জমা না দেওয়ার অভিযোগ রয়েছে, হিসাবের গরমিল এবং রেজিস্টারে কম অঙ্ক প্রদর্শনের বিষয় উল্লেখ করা হয়েছিল। এই প্রতিবেদনে উল্লিখিত অভিযোগগুলোর বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তার বক্তব্য জানতে চাইলে, ভূমি কর্মকর্তা কামরুজ্জামান ভূমি উন্নয়ন কর আদায়ের হিসাবের সঙ্গে সরকারি রেজিস্টারের গরমিলের বিষয়টি স্বীকার করে নিয়েছেন।
সুশাসন ও দুর্নীতি প্রতিরোধ নিয়ে কাজ করা বিশ্লেষকদের মতে, কোনো সরকারি কর্মকর্তার বিরুদ্ধে সম্পদ বা আর্থিক অনিয়মের অভিযোগ উঠলে তা দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) এর নজরদারি প্রয়োজন।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন