প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
বিশ্বকাপের স্বত্ব বিক্রির পরিকল্পনা ভেস্তে যাওয়ার পর, ফিফা সভাপতি জিয়ান্নি ইনফান্তিনো বেশ কয়েক দিন ধরে চাপের মুখে রয়েছেন। উয়েফা, এএফসি এবং কনকাকাফ কনফেডারেশন তার আচরণের তীব্র সমালোচনার পর, তাকে দায়িত্ব থেকে সরে যাওয়ার আহ্বান জানিয়েছে।
এমন পরিস্থিতিতে, কনফেডারেশন অফ আফ্রিকান ফুটবলের সভাপতি প্যাট্রিস মোৎসেপে বলেছেন, আগামী মার্চের নির্বাচনে ফিফার ১১টি সদস্য অ্যাসোসিয়েশনের ভোটে জিয়ান্নি ইনফান্তিনোর ভাগ্য নির্ধারণ করা উচিত।
পুনর্নির্বাচনের অপেক্ষায় থাকা ইনফান্তিনো প্রকাশ্যে বিদ্রোহের মুখে পড়েছেন। তবে মোৎসেপে মনে করেন, ১৮ মার্চ মরক্কোর রাবাতে অনুষ্ঠিতব্য ফিফার ৭৭তম কংগ্রেসে ইনফান্তিনো সভাপতি পদে বহাল থাকবেন কিনা, সেই সিদ্ধান্ত নেওয়ার ভার ফিফার সকল সদস্যের ওপরই থাকা উচিত।
বুধবার(১২ আগস্ট) স্কাই নিউজকে মোৎসেপে বলেন, আগামী বছর নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। আমাদের উচিত সেই প্রক্রিয়াটি চলতে দেওয়া এবং ২১১টি সদস্যকে সিদ্ধান্ত নিতে দেওয়া। যদি এমন কোনো প্রার্থী থাকেন যিনি ইনফান্তিনোর বিরুদ্ধে দাঁড়াতে চান, তবে তারা যেন নিজেদের নাম প্রস্তাব করেন। সেটাই সঠিক পদক্ষেপ।
তিনি আরও বলেন, আমি মূলত ঐক্য ও সহযোগিতার ওপর জোর দিতে চাই। বিদ্যমান চ্যালেঞ্জগুলোর মধ্যেও আমরা কীভাবে ফুটবলের উন্নয়ন ও প্রসার অব্যাহত রাখতে পারি? আমাদের অবশ্যই সেই চ্যালেঞ্জগুলোর মোকাবিলা করতে হবে, সেগুলোর সমাধান করতে হবে এবং সামনে এগিয়ে যেতে হবে।
মোৎসেপে বিশ্বাস করেন, নেতাদের জবাবদিহিতার আওতায় থাকা উচিত। তবে তিনি উল্লেখ করেন, অভিযোগ মোকাবিলার জন্য ফিফায় সুনির্দিষ্ট প্রক্রিয়া রয়েছে। তিনি বলেন, সভাপতি হিসেবে আমি যদি এমন কোনো আচরণ করি যা যথাযথ প্রক্রিয়া বা সুশাসনের পরিপন্থী, তবে আমাকে অবশ্যই জিজ্ঞাসাবাদের মুখোমুখি হতে হবে এবং আমার কাছে সেই প্রশ্নগুলো করা উচিত।
তিনি আরও বলেন, কারো বিরুদ্ধে কোনো অভিযোগ থাকলে, ইনফান্তিনো হোন বা অন্য কেউ হন, সে বিষয়ে ফিফার নির্ধারিত প্রক্রিয়া অনুসরণ করা উচিত। আর যদি তাকে সরিয়ে দিতে চান, তবে নির্বাচনের পথে যান। বিষয়টি খুবই সহজ।
মোৎসেপে বলেন, ২১১টি সদস্য অ্যাসোসিয়েশনকেই সিদ্ধান্ত নিতে দিন। ভোটের মাধ্যমেই প্রকাশ পাবে, ইনফান্তিনোর প্রতি তাদের আস্থা আছে কি না। প্রত্যেকেরই ন্যায্য বিচার ও সুষ্ঠু আচরণের অধিকার রয়েছে। সবার কথা শোনা উচিত। যথাযথ প্রক্রিয়া, সুশাসন এবং আইনি বৈধতার বিষয়ে কোনো আপস করা চলে না। মোৎসেপে নিশ্চিত করেছেন, ইনফান্তিনো এখনও সিএএফ-এর সমর্থন পাচ্ছেন। তিনি বলেন, তিনি আফ্রিকান ফুটবলের প্রতি অনুগত থেকেছেন। তিনি আফ্রিকার সমর্থনও পাচ্ছেন।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন