প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
ঢাকার ধামরাইয়ে বিদ্যুতের লোডশেডিংয়ের কারণে জনজীবন অত্যন্ত দুর্ভোগে রয়েছে। দিনে ও রাতে পাঁচ থেকে সাত ঘণ্টা বিদ্যুৎ পাওয়া যাচ্ছে।
এছাড়া, বাকি সময়টিতে লোডশেডিং করা হচ্ছে। এর নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে সরকারি ও বেসরকারি অফিস, শিল্প-কারখানা, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, হাসপাতাল-ক্লিনিক এবং সিএনজি স্টেশনগুলোতে। এর ফলে কয়েক লাখ মানুষ চরম দুর্ভোগের সম্মুখীন হয়েছে। দীর্ঘ সময় বিদ্যুৎ না থাকার কারণে ব্যবসা-বাণিজ্য, শিক্ষাকার্যক্রম এবং স্বাভাবিক জীবনযাত্রায় প্রভাব পড়ছে।
ভুক্তভোগী ব্যক্তিরা অভিযোগ করেছেন, গত কয়েক দিনে উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় বিদ্যুতের আসা-যাওয়ার হার বৃদ্ধি পেয়ে গেছে। দিনে এবং রাতে ন্যূনতম ১০ বার বিদ্যুৎ চলে যাচ্ছে। প্রতিবার বিদ্যুৎ থাকছে এক থেকে তিন ঘণ্টা। বিশেষ করে গতকাল সোমবার প্রতিটি জায়গায় কিছুক্ষণ পরপর তিন থেকে চার ঘণ্টা বিদ্যুৎ ছিল না।
সন্ধ্যার পর বিদ্যুৎ আসা-যাওয়া বাড়ে। ফলে পুরো এলাকায় অন্ধকার নেমে আসে। এই পরিস্থিতিতে চুরি ও ছিনতাইয়ের আশঙ্কাও বেড়ে গেছে। বারবার বিদ্যুৎ আসা-যাওয়ার কারণে টেলিভিশন, ফ্রিজ, কম্পিউটারসহ বিভিন্ন বৈদ্যুতিক যন্ত্রপাতি নষ্ট হচ্ছে। এতে সাধারণ গ্রাহকরা অতিরিক্ত আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়ছেন।
ডাউটিয়া এলাকার নাজমুল হাসান জানান, গত কয়েক দিন ধরে ব্যাপক লোডশেডিং চলছে। দিনে এবং রাতে কয়েকবার বিদ্যুৎ চলে যাচ্ছে। দিনে ও রাতে পাঁচ থেকে সাত ঘণ্টা বিদ্যুৎ পাওয়া যাচ্ছে।
ধামরাই পৌরসভার দক্ষিণপাড়া মহল্লার মাসুদ খান মজলিশ বলেন, আজ (গতকাল সোমবার) বিকেল পৌনে ৩টার দিকে বিদ্যুৎ চলে যায়, পরে ফিরে আসে সারে পাঁচটায়। দেড় ঘণ্টা বিদ্যুৎ থাকার পর আবার চলে গেছে এবং এখন পুনরায় কবে আসবে তা বলা যাচ্ছে না। দিন যাচ্ছে এবং লোডশেডিংয়ের মাত্রা বেড়ে যাচ্ছে।
ঢাকা পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-৩ এর ধামরাই জোনাল অফিসের ডিজিএম লিপিয়া আক্তার জানান, জাতীয় গ্রিডে সমস্যা হওয়ার কারণে বিদ্যুতের লোডশেডিং বেড়ে গেছে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন