প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
সুইজারল্যান্ডের নিডওয়ালডেনে অবস্থিত বিলাসবহুল পাহাড়ি রিসোর্ট বুর্গেনস্টে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে আলোচনা শুরু হয়েছে বলে জানিয়েছে কাতারের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।
সংবাদমাধ্যম আলজাজিরা জানাচ্ছে, এই বৈঠকে মধ্যস্থতাকারী হিসেবে কাতার ও পাকিস্তান ভূমিকা পালন করছে।
কাতারের মন্ত্রণালয় আশা প্রকাশ করেছে যে, এই বৈঠকগুলো একটি ‘সমগ্র ও স্থায়ী চুক্তির’ দিকে নিয়ে যাবে। এই চুক্তি যৌথ সমঝোতা স্মারকলিপিতে (এমওইউ) অন্তর্ভুক্ত সব বিষয়কে সমাধান করবে।
এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, চূড়ান্ত চুক্তির শর্তাবলি নিয়ে আলোচনার জন্য বিশেষায়িত প্রযুক্তিগত ও বিশেষজ্ঞ দল গঠন করা হয়েছে। এই দল যুক্তরাষ্ট্র-ইরান সমঝোতা স্মারক অনুযায়ী সব দিক নিয়ে কাজ করবে।
এছাড়া বাস্তবায়ন পর্যবেক্ষণের জন্য ফলোআপ গ্রুপ গঠন করা হয়েছে। এই গ্রুপ অগ্রগতি পর্যবেক্ষণ করবে এবং চূড়ান্ত চুক্তি সম্পন্নের দিকে কাজ করবে।
বিবৃতিতে আরও বলা হয়েছে, এটি সব পক্ষের ‘সদিচ্ছার ভিত্তিতে’ আলোচনা এগিয়ে নেওয়ার প্রতিশ্রুতি প্রকাশ করে। এর লক্ষ্য একটি সমন্বিত ও টেকসই চুক্তিতে পৌঁছানো।
কাতারের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় আরও জানিয়েছে, তারা পাকিস্তানসহ সংশ্লিষ্ট সব পক্ষের সঙ্গে কাজ চালিয়ে যাবে। আশা করা হচ্ছে, এতে একটি ইতিবাচক পরিবেশ তৈরি হবে, যা আলোচনাকে সফল করতে সহায়তা করবে। মন্ত্রণালয়ের মতে, সংঘাত ও বিরোধ সমাধানের সর্বোত্তম পথ হলো সংলাপ ও কূটনীতি।
এর আগে বুর্গেনস্টে ইরানের সঙ্গে বহুল প্রত্যাশিত আলোচনার আগে পাকিস্তানি মধ্যস্থতাকারীদের সঙ্গে বৈঠক করেছেন মার্কিন প্রতিনিধিরা।
বৈঠকে যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে উপস্থিত ছিলেন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স, মধ্যপ্রাচ্যবিষয়ক বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফ এবং প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের জামাতা জ্যারেড কুশনার।
অন্যদিকে পাকিস্তানের প্রতিনিধিদলে ছিলেন প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফ এবং সেনাপ্রধান জেনারেল আসিম মুনির।
বৈঠকের সময় উভয় পক্ষকে করমর্দন ও সংক্ষিপ্ত আলোচনা করতে দেখা যায়। কূটনৈতিক সূত্রগুলোর মতে, বৈঠকে ইরান-যুক্তরাষ্ট্র আলোচনার প্রস্তুতি, মধ্যস্থতা প্রক্রিয়া এবং পরবর্তী আলোচনা কাঠামো নিয়ে আলোচনা হয়েছে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন