প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
নেসলে বাংলাদেশ পিএলসি ২৩ জুলাই ২০২৬ তারিখে ঢাকার বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে অনুষ্ঠিত FICCI এফডিআই সম্মেলন ২০২৬-এ বাংলাদেশ বিজ্ঞান ও শিল্প গবেষণা পরিষদের (বিসিএসআইআর) সঙ্গে তাদের যৌথ উদ্যোগের উদ্ভাবন তুলে ধরেছিল।
এই অংশীদারত্ব বাংলাদেশের পুষ্টি উন্নয়ন এবং ভবিষ্যৎ মানবসম্পদ গঠনে দুই প্রতিষ্ঠানের যৌথ অঙ্গীকারের প্রতিফলন।
এই সহযোগিতার মাধ্যমে পুষ্টিগ্রো+ (PUSHTIGROW+) নামে একটি সিরিয়ালভিত্তিক মাইক্রোনিউট্রিয়েন্ট পুষ্টি সমাধান তৈরি করা হয়েছে, যা ৫ বছর ও তদূর্ধ্ব শিশুদের জন্য উপযোগী।
নেসলে বাংলাদেশ ও বিসিএসআইআরের যৌথ প্রচেষ্টায় তৈরি এই পুষ্টি সমাধান দৈনন্দিন উপকারী ঘরে রান্না করা খাবারে সহজেই মিশিয়ে খাওয়া যায়। এতে রয়েছে প্রোবায়োটিক, আয়রন, জিংক এবং প্রয়োজনীয় ভিটামিন, যা শিশুদের জন্য পুষ্টি ঘাটতি পূরণে সহায়তা করবে।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, এমপি এবং অন্যান্য বিশিষ্ট অতিথি নেসলে বাংলাদেশের প্যাভিলিয়ন পরিদর্শন করেন এবং এই উদ্ভাবনী পুষ্টি সমাধানের প্রশংসা করেন।
বিসিএসআইআরের চেয়ারম্যান ডা. সামিনা আহমেদ বলেন, ‘বিসিএসআইআরের বৈজ্ঞানিক দক্ষতা এবং নেসলের বৈশ্বিক পুষ্টিবিষয়ক অভিজ্ঞতার সমন্বয়ের মাধ্যমে আমরা বাংলাদেশের উন্নয়ন সক্ষমতাকে আরো শক্তিশালী করেছি। এমন সহযোগিতা বেসরকারি ও সরকারি খাতের অংশীদারত্বের মাধ্যমে আমাদের জন্য দীর্ঘমেয়াদি ইতিবাচক প্রভাব সৃষ্টি করতে পারে।’
এই যৌথ উদ্যোগ সম্পর্কে নেসলে বাংলাদেশ পিএলসির চেয়ারম্যান ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক দীপাল আবেউইক্রেমা বলেন, ‘বিসিএসআইআরের সঙ্গে আমাদের যৌথ উদ্যোগের ফসল হলো পুষ্টিগ্রো+ যা দৈনন্দিন জীবনের প্রয়োজনীয় পুষ্টির সাশ্রয়ী সমাধান এবং মাইক্রোনিউট্রিয়েন্ট ঘাটতি মোকাবেলার ক্ষেত্রে আমাদের অঙ্গীকারের প্রতিফলন।’
তিনি আরো বলেন, ‘টেকসই ও অন্তর্ভুক্তিমূলক প্রবৃদ্ধিতে বিনিয়োগের মাধ্যমে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক ও সামাজিক উন্নয়নে অবদান রাখতে আমরা প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।’
বাংলাদেশ যখন অন্তর্ভুক্তিমূলক ও টেকসই উন্নয়নের পথে এগিয়ে, তখন নেসলে বাংলাদেশ জাতীয় প্রতিষ্ঠানগুলোর সঙ্গে অংশীদারত্বের মাধ্যমে বিজ্ঞানভিত্তিক ও উদ্ভাবনী সমাধান নিয়ে কাজ করতে অঙ্গীকারবদ্ধ। এসব উদ্যোগ মানুষের জীবনমান উন্নয়ন, মানবসম্পদ বিকাশ এবং দেশের মানুষের জন্য দীর্ঘমেয়াদি ইতিবাচক মূল্য সৃষ্টি করতে সহায়তা করবে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন