প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
যুক্তরাষ্ট্র ইরানের চারপাশে সামরিক উপস্থিতি বৃদ্ধি করছে। মধ্যপ্রাচ্যে দেশটির তিনটি বিমানবাহী রণতরী ও দুটি ল্যান্ডিং গ্রুপ মোতায়েন করা হচ্ছে। এদিকে, হরমুজ প্রণালিতে ২৫ লাখ ব্যারেল তেল বহনকারী একটি সুপারট্যাংকার অজ্ঞাত প্রজেক্টাইলের আঘাতে ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে আগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে।
এক মার্কিন কর্মকর্তা আলজাজিরাকে জানিয়েছেন, ইউএসএস থিওডোর রুজভেল্টের নেতৃত্বাধীন স্ট্রাইক গ্রুপ এবং ইউএসএস মাকিন আইল্যান্ডের নেতৃত্বাধীন একটি ল্যান্ডিং ফোর্স ইতোমধ্যে ক্যালিফোর্নিয়ার সান দিয়েগো থেকে রওনা হয়েছে। মাকিন আইল্যান্ডের সঙ্গে প্রায় দুই হাজার মেরিন সেনা রয়েছে। ওই কর্মকর্তা জানান, পুরো সামরিক সমাবেশ নভেম্বরের মধ্যে সম্পন্ন হবে।
এদিকে, যুক্তরাজ্যের মেরিটাইম ট্রেড অপারেশনস (ইউকেএমটিও) জানিয়েছে, হরমুজ প্রণালি দিয়ে যাওয়ার সময় একটি ২৫ লাখ ব্যারেল তেলবাহী সুপারট্যাংকার অজ্ঞাত প্রজেক্টাইলের আঘাতে ক্ষতিগ্রস্ত হয়। এতে জাহাজটিতে আগুন ধরে যায়। তবে হামলার উৎস বা প্রজেক্টাইলটি কী ছিল, তা তাৎক্ষণিকভাবে নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
বহরে মার্কিন নৌবাহিনীর অত্যাধুনিক অ্যামফিবিয়াস শিপ ইউএসএস মাকিন আইল্যান্ড ও স্থল অভিযানে পারদর্শী দুই হাজার মেরিন রয়েছে। নতুন করে ইরানের চারপাশে ১০ হাজার নৌসেনা মোতায়েন হতে যাচ্ছে, নাবিকদের মিলিয়ে।
যুদ্ধবিরতি পুনরুজ্জীবিত করার ইরানের সর্বশেষ প্রস্তাব নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের জবাবের বিষয়টি তেহরান পর্যালোচনা করছে। এ পরিস্থিতিতে ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সংলাপে তেহরান কখনো পিছপা হবে না।
তাসনিমের খবরে পেজেশকিয়ানের উদ্ধৃতি দিয়ে বলা হয়, ‘আমরা কখনো আলোচনা থেকে পিছপা হইনি এবং কখনো হবও না, যদিও চুক্তি স্বাক্ষরের পরও যুক্তরাষ্ট্র আমাদের দেশের ওপর তিনবার হামলা চালিয়েছে।’
এদিকে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প ইরানের সঙ্গে চুক্তিসংক্রান্ত এক প্রশ্নের জবাবে বলেছেন, ‘আমরা তাদের উড়িয়ে দেব, অথবা কোনো চুক্তি করব, সেই সময় ঘনিয়ে আসছে।’ ওভাল অফিসে সাংবাদিকদের মার্কিন প্রেসিডেন্ট বলেন, ‘একভাবে বা অন্যভাবে এটি খুব শিগগির শেষ হতে যাচ্ছে।’
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন