প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
গত ৫ জুলাই লর্ডসে ইংল্যান্ডকে হারিয়ে টি-২০ বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হয়েছিল অস্ট্রেলিয়া নারী ক্রিকেট দল। তবে সাফল্যের রেশ কাটার আগেই, অস্ট্রেলিয়া নারী ক্রিকেট দলের দুটি সদস্যের বিরুদ্ধে পরকীয়ার অভিযোগে ক্রিকেট বিশ্বে তোলপাড় সৃষ্টি হয়েছে।
অভিযোগের তীর সহ-অধিনায়ক অ্যাশলেই গার্ডনারের দিকে। তার স্ত্রী মনিকা রাইট অভিযোগ তুলেছেন। সোশ্যাল মিডিয়ায় ইনস্টাগ্রামে মনিকা অভিযোগ করেন, নারী ক্রিকেট দলের ওপেনার জর্জিয়া ভলের সঙ্গে পরকীয়ার কারণে তার স্ত্রী গার্ডনার তার সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা করেছেন।
ঘটনাটি কিছুটা পুরোনো। গতবছর ভারতে নারী একদিনের ক্রিকেটের বিশ্বকাপ চলাকালীন ২২ বছরের জর্জিয়া এবং ২৯ বছরের গার্ডনারের মধ্যে পরকীয়ার সম্পর্ক গড়ে ওঠে। যখন মনিকা এই বিষয়ে জানতে পারেন, তখন তিনি টুর্নামেন্টের মাঝখানেই ভারতে আসেন। গার্ডনারের সঙ্গে মনিকার রাগারাগি শুরু হয়।
ভারত থেকে ফিরে, গার্ডনার পুরো বিষয়টি মনিকা স্বীকার করে এবং সম্পর্ক স্বাভাবিক করার চেষ্টা করেন। কিন্তু স্ত্রীর বিশ্বাসঘাতকতায় মনিকা রাজি হননি। november মাসে, একদিন সিডনির বাড়িতে ফিরে মনিকা দেখতে পান, গার্ডনার সবাই নিয়ে চলে গেছেন, তবে তিনি বিয়ের আংটিটি রেখে গেছেন। তাদের পৃথক থাকতে শুরু করে। মনিকা গার্ডনারের সব ছবি সোশ্যাল মিডিয়া থেকে মুছে ফেলেছেন এবং তাকে আনফলো করেছেন।
অস্ট্রেলিয়া নারী ক্রিকেট দলের সদস্যরা গার্ডনার ও জর্জিয়ার সম্পর্ক জানতেন, তবে তারা ব্যক্তিগত বিষয়টিতে নাক গলায়নি। যদিও গার্ডনার ও মনিকা আলাদা থাকলেও ব্যাপকভাবে এই বিষয়টি প্রকাশ পায়নি। কিন্তু রবিবার লন্ডনভিত্তিক 'ডেইলি মেইল' প্রথম গার্ডনারের দাম্পত্য সম্পর্ক ভাঙার বিষয়টি প্রকাশ করে।
রিপোর্টে বলা হয়, অ্যাশলেই গার্ডনার ও মনিকা রাইটের বিয়ে ভেঙে গেছে এবং গার্ডনার তার স্ত্রীর সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা করেছেন। রিপোর্টে কারো নাম উল্লেখ করা হয়নি।
ডেইলি মেইল কিছুটা রাখঢাক করলেও মনিকা তার সবকিছু প্রকাশ করেছেন। সোমবার, মনিকা প্রথমে ডেইলি মেইলের রিপোর্টের স্ক্রিনশট শেয়ার করে লিখেছেন, ‘তথ্যগুলো খুবই অস্পষ্ট, আমি আপনাদের বলছি ঠিক কী ঘটেছিল।’ তারপর পরের স্টোরিতে অস্ট্রেলীয় ওপেনার জর্জিয়া ভলের ছবি পোস্ট করে সরাসরি লেখেন, ‘এই সেই নারী, যার কারণে আমার স্ত্রী আমার সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা করেছে।’ এরপর থেকেই বিষয়টি নিয়ে আলোচনা শুরু হয়েছে।
২০২০ সালে একটি অনলাইন অ্যাপে সমকামী গার্ডনার ও মনিকার পরিচয় হয়েছিল। চার বছরের সম্পর্ক শেষে ২০২৪ সালের এপ্রিলে তারা বিয়ে করেন। মনিকার একজন বান্ধবী জানিয়েছেন, তারা দু’জন সন্তান নেওয়ার পরিকল্পনা করেছিলেন এবং ক্লিনিকেও গিয়েছিলেন। কিন্তু এই ঘটনার পর মনিকা ক্লিনিকে জানিয়ে দেন, আপাতত তারা পরিবার বড় করবেন না।
দলের দুই খেলোয়াড়কে কেন্দ্র করে এই পরকীয়া ও পারিবারিক বিবাদের অভিযোগ ওঠায়, অস্ট্রেলিয়ার নারী ক্রিকেট দলের ড্রেসিংরুমে একটি বড় ধরনের বিভক্তি ও অস্থির পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে বলে আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে খবর এসেছে। তবে এ বিষয়ে ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়া, গার্ডনার বা জর্জিয়া কেউ মন্তব্য করেননি।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন