প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
মার্কিন নৌবাহিনীর বিমানবাহী রণতরী ইউএসএস আব্রাহাম লিংকনে নিজেদের মধ্যে একটি ভয়াবহ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এই সংঘর্ষে সাত নৌসেনা নিহত হয়েছেন এবং আরও বেশ কয়েকজন আহত হন। এই ঘটনায় ইরানের একাধিক গণমাধ্যমের মাধ্যমে এমন খবর প্রকাশিত হয়েছে।
ইরানের বিরুদ্ধে চলমান যুদ্ধে দীর্ঘদিন ধরে সাগরে মোতায়েন রয়েছে এই বিমানবাহী রণতরীটি। এই পরিস্থিতে রণতরিতে থাকা নাবিক ও মেরিনদের মানসিক স্বাস্থ্য এবং জীবনযাপনের পরিস্থিতি নিয়ে তাদের পরিবার প্রশ্ন তুলেছেন। প্রায় ৫ হাজার নাবিক ও মেরিনকে বহনকারী এই রণতরিটির দীর্ঘমেয়াদি মোতায়েন এবং তাদের বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে কর্মকর্তাদের কাছে তারা জবাব চেয়েছেন।
ইরানি সংবাদ সংস্থা তাসনিম নিউজ এজেন্সির মতে, দীর্ঘদিনের মোতায়েনকে কেন্দ্র করে নাবিকদের মধ্যে বাড়তে থাকা অসন্তোষের প্রেক্ষিতে রণতরীতে ভয়াবহ সংঘাতের এই ঘটনা ঘটেছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ডের প্রধান ব্র্যাড কুপারের এক উপদেষ্টা নাবিকদের অভিযোগ শুনতে রণতরীটিতে গেলে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। দীর্ঘ সময় ধরে জাহাজটি মোতায়েন থাকায় নাবিকদের পরিবারের সদস্যদের মধ্যে অসন্তোষ সৃষ্টি হয় এবং এ নিয়ে বিক্ষোভও সংগঠিত হয়ে।
নাবিকদের একটি সমাবেশে ওই উপদেষ্টা যখন বক্তব্য দেওয়ার চেষ্টা করেন, তখন তাকে লক্ষ্য করে দুয়োধ্বনি করা হয় এবং পানির বোতল ছোড়া হয়। এর ফলে পরিস্থিতি আরও উত্তেজিত হয়ে জাহাজের নাবিকদের মধ্যে হাতাহাতি শুরু হয়।
প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, সংঘর্ষের এক পর্যায়ে ছুরি ও অন্যান্য ধারালো অস্ত্র ব্যবহার করা হয়। এই সংঘর্ষে সাতজন নৌসদস্য নিহত হন এবং আরও কয়েকজন আহত হন। ঘটনার পরও জাহাজটির ভেতরের পরিস্থিতি উত্তেজনাপূর্ণ ও অস্থির বলে উল্লেখ করা হয়েছে।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, ইউএসএস আব্রাহাম লিংকন টানা ২৬৩ দিন ধরে মোতায়েন রয়েছে এবং বর্তমানে ভারত মহাসাগরে অবস্থান করছে। দীর্ঘ এই মোতায়েনের ফলে জাহাজটির নাবিকদের ওপর বাড়তি চাপ তৈরি হয়েছে।
তবে সাতজন নিহত হওয়ার যে দাবির কথা বলা হচ্ছে, সেই খবরের কোনো নির্ভরযোগ্য নিশ্চিতকরণ পাওয়া যায়নি। মার্কিন নৌবাহিনী বা অন্য কোনও প্রধান আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমের পক্ষ থেকেও এ ঘটনায় সম্পর্কিত নিশ্চিত তথ্য পাওয়া যাচ্ছে না। তাই হতাহতের তথ্যটি আপাতত প্রতিবেদনে করা দাবি হিসেবেই দেখা হচ্ছে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন