প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
শাড়িকাণ্ডে আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিন পেয়েছেন অভিনেত্রী তানজিন তিশা। এর আগে নানা ঘটনায় দেশের একাধিক তারকাকে আদালতের দ্বারস্থ হতে দেখা গেছে।
এই প্রসঙ্গে এবার মুখ খুলেছেন অভিনেত্রী নুসরাত ফারিয়া। তিনি মনে করেন, তুচ্ছ বিষয়কে কেন্দ্র করে শিল্পীদের আদালতে টেনে নেওয়ার প্রবণতা শোবিজ অঙ্গনের জন্য উদ্বেগজনক।
বৃহস্পতিবার তিনি নিজের ফেসবুক অ্যাকাউন্টে একটি পোস্ট করে এই নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। তিনি লেখেন, ‘তুচ্ছ সব বিষয় নিয়ে অভিনেতা-অভিনেত্রীদের আদালতে টেনে নেওয়ার প্রবণতা কেবল লজ্জাজনকই নয় বরং শোবিজের জন্য পীড়াদায়কও।
আমাদের ইন্ডাস্ট্রি যে কতটা ভঙ্গুর, খামখেয়ালি ও হালকা হয়ে পড়েছে এটি তারই প্রমাণ।’
ফারিয়ার মতে, মতপার্থক্য হলেই আইনের আশ্রয় নেওয়া কোনোভাবেই অগ্রগতির লক্ষণ নয়।
তিনি বলেন, ‘আমার খুব কষ্ট হয় যখন দেখি মানুষ এমনভাবে বাহবা দেয় যে এটিই অগ্রগতির প্রতীক। মতপার্থক্য হলেই আদালতে যাওয়া কোনো প্রগতিশীল চিন্তাধারার লক্ষণ নয়।
বরং এটি সম্পূর্ণ পিছিয়ে দেওয়ার মানসিকতা। আমাদের প্রয়োজন পারস্পরিক বোঝাপড়া, আলোচনা ও পরিপক্বতা জনসমক্ষে অপমান বা অপ্রয়োজনীয় আইনি লড়াই নয়। এটি কোনো অগ্রগতি নয়, এটি অধঃপতন।’
সম্প্রতি শাড়িকাণ্ডকে কেন্দ্র করে তানজিন তিশার আদালতে আত্মসমর্পণের ও জামিনের ঘটনা আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু হয়ে ওঠেছে। ওই ঘটনার পরেই নুসরাত ফারিয়ার এই মন্তব্য সামনে এসেছে।
এর আগে গত বছরের ১৮ মে বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের সময় রাজধানীর ভাটারা থানায় দায়ের করা একটি হত্যাচেষ্টা মামলায় গ্রেপ্তার হয়েছিলেন নুসরাত ফারিয়া। তবে একটি দিন পরেই জামিনে মুক্তি পান তিনি। সেই সময়ের অভিজ্ঞতা অভিনেত্রীর জন্য অত্যন্ত অপ্রত্যাশিত ও কষ্টদায়ক ছিল।
তানজিন তিশার সাম্প্রতিক ঘটনায়, সম্ভবত ফারিয়ার সেই অভিজ্ঞতার কথাই নতুন করে মনে পড়েছে। আর সেখান থেকেই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তিনি নিজের অবস্থান স্পষ্ট করেছেন।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন