প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
যুক্তরাষ্ট্র গত দুই দিনে ইরানে ১৭০টির বেশি লক্ষ্যবস্তুতে ভয়াবহ হামলা চালিয়েছে। এর জবাবে, সবথেকে আগে উপসাগরীয় দেশগুলোতে অবস্থিত মার্কিন সামরিক ঘাঁটিগুলো লক্ষ্য করে পাল্টা হামলা শুরু করেছে তেহরান।
মার্কিন সামরিক বাহিনীর সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম)-এর উদ্ধৃতি দিয়ে নিউইয়র্ক টাইমস জানায়, হামলাটি হয়েছে হরমুজ প্রণালির কাছের ইরানের উপকূলে। হামলা চলাকালে ধ্বংস করা হয়েছে আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা, ড্রোন এবং মিসাইলের গুদাম, এমনকি সামরিক স্পিডবোটও। মূলত এই পদক্ষেপের উদ্দেশ্য হলো সাগরে বাণিজ্যিক জাহাজে ইরানের আক্রমণের ক্ষমতা কমানো। গত জুন মাসের তুলনায়, এবার ১৪ গুণ বেশি লক্ষ্যবস্তুতে হামলা করেছে ওয়াশিংটন।
এদিকে, মার্কিন হামলার পর ইরানও নিস্তা দিচ্ছে না। তারা পাল্টা হামলা চালানোর জন্য উপসাগরীয় অঞ্চলে উপস্থিত রয়েছে। জর্ডানের বিভিন্ন জায়গায় সাইরেন বেজে উঠতে দেখা গেছে। কুয়েতের আকাশে ৩টি ব্যালিস্টিক মিসাইল, ১টি ক্রুজ মিসাইল এবং ১০টি ড্রোন শনাক্ত করা হয়। যদিও এগুলো আকাশে থামিয়ে দেওয়া হয়, তবে একটির টুকরো পড়ে একজন আহত হন।
বাহরাইন ও কাতারে ভোর সাড়ে তিনটার দিকে এক ধরনের হামলা ঘটেছে। বিপদের আশঙ্কায় কাতারে সাধারণ মানুষের মোবাইলে সতর্কবার্তা পাঠানো হয়, যা কয়েক মাসের মধ্যে প্রথম স্বরবাবস্থার জানান দেয়। তবে দ্রুত বিপদের কেটে যাওয়ার বার্তা নিয়ে আসে।
ইরান বলেছে যে, উপসাগরীয় দেশগুলো মার্কিন সামরিক ঘাঁটিকে আশ্রয় দিয়েছে, এর মানে তারা ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের হামলায় সমর্থন দিচ্ছে। কিন্তু কাতারসহ অন্যান্য উপসাগরীয় দেশগুলো এই অভিযোগ অস্বীকার করেছে এবং সংকট সমাধানের জন্য আলোচনা করার আহ্বান জানিয়েছে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন