প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
পিরোজপুরে আধিপত্য বিস্তার নিয়ে ছাত্রদলের দুই পক্ষের মধ্যে বিরোধের ফলে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে জখমের ঘটনা ঘটেছে। জানা গেছে, এ ঘটনার ফলে উভয় পক্ষের ৫ জন আহত হয়েছে।
মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) সন্ধ্যা ৭ টার দিকে শহরের পুরাতন বাসস্ট্যান্ড এলাকায় এই ঘটনা ঘটে। পুলিশ এই ঘটনার সাথে জড়িত থাকার অভিযোগে পৌর ছাত্রদলের বহিষ্কৃত সাবেক যুগ্ম আহবায়ক মো. নাফিসকে আটক করেছে।
আহতদের মধ্যে রয়েছেন, পিরোজপুরের জিয়ানগর উপজেলার মিজান মাতুব্বরের ছেলে জিহাদ মাতুব্বর, পিরোজপুর সদর উপজেলার জুজখোলা গ্রামের মাহিদুলের ছেলে নাইম, মাছিমপুর গ্রামের শান, কালিবাড়ি এলাকার মিঠুর ছেলে তাশফি, এবং শিকারপুর গ্রামের আউয়ালের ছেলে নিরব।
পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, সন্ধ্যা ৭ টার দিকে শহরের পুরাতন বাসস্ট্যান্ডের সুন্দরবন কুরিয়ার সার্ভিসের সামনে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে ছাত্রদলের একটি পক্ষ অপর পক্ষের উপর হামলা চালায়। এই হামলার ফলে উভয় পক্ষের ৫ জন আহত হয়। গুরুতর আহত জিহাদকে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
পিরোজপুর পৌর ছাত্রদলের আহবায়ক মেহেদী হাসান শাওন (বাবু) জানান, ছাত্রদলের বহিষ্কৃত নাফিস আহমেদ সিয়াম নামে একজন সদস্য রয়েছে। তিনি বলেন, "ওরা ২০-২৫ জন সঙ্গবদ্ধভাবে পুরাতন বাস স্ট্যান্ডে এসে কুপিয়ে যখম করে। দুই পক্ষেরই আহত আছে। রাজনৈতিক গ্যাঞ্জামের কারণে হইছে। গ্যাঞ্জামের সূত্রপাত ধইরা নাফিজের নেতৃত্বে এ হামলা হইছে।"
এ বিষয়ে পিরোজপুর জেলা ছাত্রদলের সভাপতি সালাউদ্দিন কুমার বলেন, "আমি ঢাকায় অবস্থান করছি। বিষয়টি আমি শুনেছি। যে ছেলেটির নাম এখানে এসেছে সিয়াম, তাকে আগেই ছাত্রদল থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে। এরপরেও যদি এ ঘটনায় ছাত্রদলের কেউ জড়িত থাকে তাদের বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেয়া হবে।"
পিরোজপুর সদর থানার ওসি মো: শরিফুল ইসলাম বলেন, "একটি মারামারির ঘটনা ঘটেছে। উভয় পক্ষের পাঁচজন আহত আছে। এ ঘটনা একজনকে আটক করা হয়েছে। পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন