প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের বদলি প্রক্রিয়ায় একটি বড় পরিবর্তন উপস্থাপন করছে সরকার। পরিবর্তিত ব্যবস্থায় এখন থেকে শিক্ষকদের বদলির সিদ্ধান্ত নেওয়ার দায়িত্ব স্থানীয় প্রশাসনের নেতৃত্বে গঠিত একটি কমিটির ওপর ন্যস্ত করা হয়েছে।
রোববার (১৪ জুন) রাজধানীর শেরাটন হোটেলে ইউনিসেফ আয়োজিত এক কর্মশালায় এই তথ্য তুলে ধরেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, শিক্ষকদের বদলি ঘিরে অতীতে একটি বড় দুর্নীতির চক্র গড়ে উঠেছিল। সেই অনিয়ম বন্ধ করতে নতুন নীতিমালার গ্রহণে উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এই নতুন নীতিমালার আওতায় বদলি কার্যক্রম স্থানীয় পর্যায়ে পরিচালিত হবে।
তিনি জানান, উপজেলা, জেলা ও বিভাগীয় পর্যায়ে পৃথক কমিটি গঠন করা হয়েছে। উপজেলা পর্যায়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার নেতৃত্বে সংশ্লিষ্ট শিক্ষা কর্মকর্তাদের নিয়ে একটি কমিটি কাজ করবে। প্রতি মাসে একবার সভা করে জমা পড়া আবেদনগুলো পর্যালোচনা করে বদলি অনুমোদনের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
একইভাবে, জেলা প্রশাসকের নেতৃত্বে জেলা পর্যায়ে এবং বিভাগীয় কমিশনারের নেতৃত্বে বিভাগীয় পর্যায়ে কমিটি গঠন করা হয়েছে।
ববি হাজ্জাজ বলেন, নতুন ব্যবস্থার মাধ্যমে বদলি প্রক্রিয়ায় দুর্নীতির সুযোগ বন্ধ করা হবে এবং শিক্ষকদের হয়রানি কমানো সম্ভব হবে।
এখন পর্যন্ত, শিক্ষকদের বদলির আবেদন অনলাইনে গ্রহণ করা হতো। উপজেলা ও জেলা পর্যায়ে যাচাইয়ের পর তা প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরে পাঠানো হতো। অধিদপ্তরের চূড়ান্ত অনুমোদনের পর বদলি কার্যকর হতো। কিন্তু এই প্রক্রিয়ায় অনিয়ম, হয়রানি ও অর্থ লেনদেনের অভিযোগ দীর্ঘদিন ধরে ছিল।
কর্মশালায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। এছাড়া শিক্ষাবিদ, ইউনিসেফের প্রতিনিধিসহ বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তারাও অংশগ্রহণ করেন।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন