প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে (রাবি) ছাত্রশিবিরের এক কেন্দ্রীয় নেতার বিরুদ্ধে ধর্ষণ মামলা এবং ‘গুমের নাটক’ সাজানোর অভিযোগে ছাত্রদলের পক্ষ থেকে বিক্ষোভ সমাবেশ করা হয়েছে। রবিবার (১৪ জুন) দুপুর ২টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদ বুদ্ধিজীবী স্মৃতি ফলক চত্বরে এই বিক্ষোভ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়।
বিক্ষোভ চলাকালে সংগঠনের নেতারা অভিযোগ করেন, গুম ও অপহরণের ‘নাটক’ সাজিয়ে প্রকৃত ভুক্তভোগীদের অবমাননা করা হচ্ছে। তারা বলেন, অনলাইনে সংঘবদ্ধভাবে সরকারকে মিথ্যা দোষারোপ করা হচ্ছে। একই সঙ্গে তারা দাবি করেন, গুপ্ত নেতাকর্মীদের মাধ্যমে ধর্ষণ ও নারী নির্যাতনের মতো ঘৃণ্য অপরাধ সংঘটিত হচ্ছে।
এই বিক্ষোভে অংশগ্রহণকারীরা শিবিরের বিরুদ্ধে বিভিন্ন স্লোগান দেন, যেমন 'বাহ শফিক চমৎকার ধর্ষকের পাহারাদার', 'ধর্ষকের ঠিকানা এই বাংলায় হবে না', এবং 'তুই ধর্ষক তুই ধর্ষক জামাত-শিবির ধর্ষকসহ'। তারা অভিযোগে উল্লিখিত ঘটনাগুলোর সুষ্ঠু তদন্ত এবং দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান।
বিক্ষোভ কর্মসূচিতে বক্তব্য প্রদান করেন বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের সভাপতি সুলতান আহমেদ রাহী ও সাধারণ সম্পাদক সর্দার জহুরুল ইসলাম। সভাপতি সুলতান আহমেদ রাহী বলেন, ‘১৯৭১ সালে রাজাকার বাহিনী যারা বাংলাদেশের লাল-সবুজের ভূখণ্ডকে বিশ্বাস করে না, তারা ২০২৬ সালে গুপ্ত বাহিনী হয়ে ইসলামের মুখোশ পরে আবারও আত্মপ্রকাশ করেছে এবং ঘরে ঘরে ধর্ষণের জন্য নিজেদের প্রস্তুত করছে।’
সাধারণ সম্পাদক সর্দার জহুরুল ইসলাম এক বক্তব্যে বলেন, ‘১৯৭১ সালে পাকিস্তানি দোসরদের বিরুদ্ধে যে কঠোর আন্দোলন গড়ে উঠেছিল, তারই ধারাবাহিকতায় ২০২৬ সালে যারা পরিচয়হীন ও অসামাজিক কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে মানুষের মধ্যে বিভ্রান্তি ছড়াচ্ছে এবং প্রলোভন দেখিয়ে ধর্ষণসহ বিভিন্ন অপরাধ করছে, তাদের সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত করতে ছাত্রদল সর্বদা তৎপর থাকবে।’
এছাড়া, উল্লেখ্য যে, কুমিল্লার দাউদকান্দি থেকে নিখোঁজ হওয়ার একদিন পর লাকসাম থেকে উদ্ধার হওয়া ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় সাহিত্য ও সংস্কৃতি বিষয়ক সম্পাদক জিসান মিয়া প্রধানের বিরুদ্ধে একটি নারীকে ধর্ষণ ও জোরপূর্বক ভ্রূণ হত্যার অভিযোগে মামলা হয়েছে। কুমিল্লা জেলা পুলিশের দাবি, জিসান মিয়া প্রধানকে কেউ অপহরণ করেনি। তিনি নিজের আসল নাম-পরিচয় গোপন করে এক নারীর সঙ্গে অনৈতিক সম্পর্কের পর আইনি প্রক্রিয়া থেকে বাঁচতে নিজেই আত্মগোপনে গিয়েছিলেন। গত শনিবার জেলা পুলিশের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানা গেছে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন