প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
কুড়িগ্রামের রৌমারী সীমান্তে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ) কর্তৃক পুশইনের চেষ্টার শিকার নারী ও শিশুসহ ৯ জন এখনও দুই দেশের সীমান্তের শূন্যরেখায় মানবেতর দিন যাপন করছেন।
গত ২৪ ঘণ্টায় বিষয়টির কোনো সমাধান না হওয়ায় তাদের অনিশ্চয়তা আরও বেড়েছে। একই সঙ্গে স্থানীয়দের মাঝেও উদ্বেগ-উৎকন্ঠা দেখা দিয়েছে।
আজ সোমবার (১৫ জুন) দুপুর পর্যন্ত বিষয়টি সমাধান হওয়ার কোন খবর পাওয়া যায়নি।
এর আগে গতকাল রোববার সকালে জেলার রৌমারীর গয়টাপাড়া ও ভেন্দুরচর সীমান্ত দিয়ে ওই ৯ জনকে বাংলাদেশে ঠেলে দেওয়ার চেষ্টা চালায় বিএসএফ। বিষয়টি জানতে পেরে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) তাৎক্ষণিকভাবে বাধা দিলে তারা সীমান্তের শূন্যরেখার কাছে অবস্থান নেয়।
পরে দুপুরে দুই দেশের সীমান্তরক্ষী বাহিনীর মধ্যে কোম্পানি কমান্ডার পর্যায়ে পতাকা বৈঠক অনুষ্ঠিত হলেও কোনো সমাধান মেলেনি। বৈঠকে উভয় পক্ষ নিজেদের অবস্থান তুলে ধরলেও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের পরিচয় ও নাগরিকত্ব যাচাইয়ের বিষয়টি নিষ্পত্তি হয়নি।
বিজিবি সূত্রে জানা গেছে, বর্তমানে ওই ৯ জন ভারতের অভ্যন্তরে কাঁটাতারের পাশেই অবস্থান করছেন। তাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সীমান্ত এলাকায় বিএসএফ ও বিজিবি নজরদারি অব্যাহত রেখেছে।
সীমান্তে অবস্থানরত ৯ জনের ভাগ্যে শেষ পর্যন্ত কী সিদ্ধান্ত আসে, তা নিয়ে এখন অপেক্ষায় রয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দা ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ। মানবিক দিক বিবেচনায় দ্রুত সমাধানের দাবি জানিয়েছেন এলাকাবাসী।
সীমান্তবর্তী এলাকার কয়েকজন বাসিন্দা জানান, নারী ও শিশুদের দীর্ঘ সময় খোলা আকাশের নিচে অবস্থান করতে দেখে তারা উদ্বিগ্ন। দ্রুত মানবিক ও কূটনৈতিক উদ্যোগের মাধ্যমে বিষয়টির সমাধান হওয়া প্রয়োজন বলে তারা মনে করেন।
জামালপুর ৩৫ বিজিবির অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল হাসানুর রহমান বলেন, গতকাল রোববার দুপুরে কোম্পানি কমান্ডার পর্যায়ে পতাকা বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। দীর্ঘ আলোচনা হলেও বিষয়টির কোনো সমাধান হয়নি। বিষয়টি নিয়ে আমরা প্রয়োজনীয় কূটনৈতিক ও সীমান্ত পর্যায়ের যোগাযোগ অব্যাহত রেখেছি। যাচাই-বাছাই ও আলোচনার মাধ্যমে বিষয়টির সমাধানের চেষ্টা চলছে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন