প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
মিয়ানমারের পাহাড়ি ঢলের স্রোতে ভেসে এসে সেন্টমার্টিনে পৌঁছেছে একটি বিশাল আকৃতির অজগর। স্থানীয়রা পরবর্তীতে সেটিকে জীবিত উদ্ধার করেন।
বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) বিকেল ৩টার দিকে দ্বীপের ৩ নম্বর ওয়ার্ডের ডেইলপাড়া সৈকতের পূর্ব পাশ থেকে সাপটি জীবিত উদ্ধার করা হয়।
স্থানীয় সূত্র জানায়, বিকেলে সৈকতে খেলাধুলা করতে এসে কয়েকজন শিশু-কিশোর সমুদ্র থেকে অজগরটিকে তীরে উঠতে দেখে। এরপর তারা সাপটি উদ্ধার করে বাজারে নিয়ে আসে। বন বিভাগের পরামর্শ অনুযায়ী, সেটি সেন্টমার্টিন ইউনিয়ন পরিষদের হেফাজতে দেয়া হয়েছে।
সেন্টমার্টিন বিএন ইসলামিক স্কুল অ্যান্ড কলেজের শিক্ষক আয়াতুল্লাহ খোমেনি জানান, উদ্ধার হওয়া অজগরটির দৈর্ঘ্য প্রায় ১০ ফুট। এর ওজন আনুমানিক ২০ থেকে ২৫ কেজি এবং বয়স তিন থেকে চার বছর হতে পারে।
স্থানীয় বাসিন্দা তৈয়ব উল্লাহ বলেছেন, সেন্টমার্টিন থেকে মিয়ানমারের উপকূলের দূরত্ব প্রায় ৮ কিলোমিটার। বর্ষা মৌসুমে মিয়ানমারের পাহাড়ি এলাকায় ভারি বৃষ্টিপাত হলে নাফ, মায়ু ও কালাদান নদীতে প্রবল ঢল আসে। ওই সময় গাছপালা ও অন্যান্য ভাসমান বস্তুর সঙ্গে বিভিন্ন ধরনের প্রাণীও সাগরের স্রোতে ভেসে সেন্টমার্টিন উপকূলে পৌঁছে যায়।
তার ধারণা, সাম্প্রতিক ভারি বৃষ্টিপাতের কারণে সৃষ্ট ঢলের স্রোতেই অজগরটি ভেসে এসেছে।
সেন্টমার্টিনে পরিবেশ অধিদফতরের অফিস সহকারী আব্দুল আজিজ জানিয়েছেন, বন বিভাগের পরামর্শ অনুযায়ী অজগরটি আপতত ইউনিয়ন পরিষদের হেফাজতে রাখা হয়েছে। পরবর্তীতে নিরাপদ সংরক্ষণ অথবা উপযুক্ত স্থানে অবমুক্ত করার ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
সেন্ট মার্টিন ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান ফয়েজুল ইসলাম বলেছেন, শুক্রবার ট্রলারে করে অজগরটি টেকনাফ রেঞ্জে পাঠানো হবে।
টেকনাফ রেঞ্জের বন কর্মকর্তা আব্দুর রশিদ জানান, উদ্ধার হওয়া অজগরটি সুস্থ ও স্বাভাবিক রয়েছে। শুক্রবার সেটি বন বিভাগের কাছে হস্তান্তর করা হলে পাহাড়ের উপযুক্ত আবাসস্থলে অবমুক্ত করা হবে।
এর আগে গত ৫ জুন সেন্টমার্টিনের একটি মরিচক্ষেত থেকে প্রায় ১৫ ফুট লম্বা আরেকটি অজগর উদ্ধার করা হয়েছিল। পরবর্তীতে সেটিকেও বন বিভাগের মাধ্যমে পাহাড়ি এলাকায় অবমুক্ত করা হয়।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন