প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
ফিলিস্তিনিদের সাহায্যকারী সংস্থা ‘ইউএনআরডব্লিউএ’ বর্তমানে চরম অর্থ সংকটে পড়েছে। ১০০ মিলিয়ন বা ১০ কোটি ডলারের ঘাটতি দেখা দেওয়ার কারণে সংস্থাটি সতর্ক করে জানিয়েছে, এর ফলে লাখ লাখ ফিলিস্তিনি বড় বিপদে পড়ে যেতে পারেন।
মঙ্গলবার জাতিসংঘের মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস বিভিন্ন দেশের কাছে এই অর্থ সাহায্যের আবেদন করেন। তিনি বলেন, গাজার বর্তমান পরিস্থিতি অত্যন্ত ভয়াবহ হয়ে উঠেছে। এর পাশাপাশি পশ্চিম তীরে ইসরায়েলিদের সহিংসতা এবং লেবাননে হামলার কারণে ফিলিস্তিনিরা এক কঠিন কষ্টের মধ্যে রয়েছেন। টাকার অভাব এবং ইসরায়েলের নানা বাঁধার কারণে সংস্থাটিকে বাধ্য হয়ে তাদের ত্রাণ কাজগুলো কমাতে হচ্ছে।
১৯৪৯ সালে প্রতিষ্ঠিত এই সংস্থাটি গাজার পাশাপাশি পশ্চিম তীর, লেবানন, জর্ডান ও সিরিয়ায় কাজ করে আসছে। তারা মোট ২৬ লাখ ফিলিস্তিনিকে খাবার, চিকিৎসা, বাসস্থান ও শিক্ষা প্রদান করে আসছে। কিন্তু ২০২৩ সালের অক্টোবরে হামাসের হামলায় সংস্থাটির কয়েকজন কর্মী জড়িত থাকার অভিযোগ উঠে—ইসরায়েল এই অভিযোগ তুলেছে। তার পর থেকে ২০২৪ সালের জানুয়ারিতে আমেরিকা তাদের অর্থ সাহায্য বন্ধ করে দেয়। তবে জাতিসংঘের তদন্তে অভিযুক্ত ১৯ জনের মধ্যে ১০ জনের বিরুদ্ধে কোনো প্রমাণ পাওয়া যায়নি।
আন্তোনিও গুতেরেস আরও উল্লেখ করেছেন যে, সংস্থাটির বিরুদ্ধে মিথ্যা অপপ্রচার ও আইনি বাধা সৃষ্টি করা হচ্ছে। তিনি বলেন, ২০২৩ সালের অক্টোবর থেকে গাজায় ইসরায়েলি হামলায় ৩৯০ জন কর্মী নিহত হয়েছেন। তবে তাতেও সংস্থাটি তাদের কাজে স্বচ্ছতা আনতে নানা সংস্কার করে চলেছে।
অন্যদিকে, তুরস্কের প্রতিনিধি ইসরায়েলের রাজনৈতিক ও শারীরিক হামলার কঠোর সমালোচনা করেছেন। তিনি দাবী করেছেন, ইসরায়েল আন্তর্জাতিক আইন ভঙ্গ করে চলেছে এবং ফিলিস্তিনিরা যেন নিজেদের দেশে ফিরে যেতে না পারে, সেটাই তাদের প্রধান লক্ষ্য। বুধবার সংস্থাটির তহবিলের বিষয়ে নতুন ঘোষণা আসবে বলে জাতিসংঘ জানায়।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন