প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
পর্তুগালের বিপক্ষে ক্রোয়েশিয়ার বাতিল হওয়া গোল নিয়ে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন জ্লাতান ইব্রাহিমোভিচ। তার মতে, বিশেষ করে রাউন্ড অব সিক্সটিনে পর্তুগাল ও স্পেনের ম্যাচ আয়োজনের জন্যই এমন পক্ষপাতিত্ব লক্ষ্য করা যাচ্ছে।
এসি মিলানের এই অভিজ্ঞানী উপদেষ্টা বর্তমানে বিশ্বকাপের ফক্স স্পোর্টসের বিশ্লেষক হিসেবে কাজ করছেন। একটি অনুষ্ঠানে তিনি তুলে ধরেন, ‘এটি ছিল দুর্দান্ত একটি ম্যাচ। কিন্তু শেষ মুহূর্তে ভিএআর সেটি নষ্ট করে দিল। গোলটিতে আমি কোনো অনিয়মই দেখিনি। ভিএআর গোলটি বাতিল করেছে, কিন্তু আমার কাছে এটি ছিল স্পষ্ট ডাকাতি।’
গোল বাতিলের ঘটনাকে ডাকাতি মনে হওয়ার জন্য তিনি একটি ব্যাখ্যা প্রদান করেছেন। তিনি বলেন, ‘হয় বলের সেন্সর কাজ করছিল না, নয়তো অন্য কোথাও একটি সমস্যা হয়েছে। কারণ রেনাতো ভেইগা বল স্পর্শ করেছিলেন, অর্থাৎ সেখানে অফসাইড হওয়ার প্রশ্নই আসে না। রিপ্লেটা দেখুন, ক্রোয়েশিয়ার ২০ নম্বর খেলোয়াড় বল স্পর্শই করেনি, এমনকি বলের গতিপথও বদলায়নি। পর্তুগালের ১৩ নম্বর খেলোয়াড় বল স্পর্শ করেছে। তাহলে অফসাইড কীভাবে হয়? প্রতিপক্ষের একজন খেলোয়াড় বল ছুঁয়েছে, আর হঠাৎ করে ক্রোয়েশিয়ার গোলদাতা অফসাইড হয়ে গেল? এটা হাস্যকর!’
তাঁর আরও যোগ করা মন্তব্যে, ‘যে ক্রোয়াটরা শেষ পর্যন্ত হৃদয় উজাড় করে লড়াই করেছে, তাদের বিশ্বকাপের স্বপ্নময় একটি মুহূর্ত কেড়ে নেওয়া হয়েছে। ৯০তম মিনিটে কোনো গোল বাতিল করতে হলে সিদ্ধান্তটি একেবারে সন্দেহাতীত হতে হবে। এখানে তা মোটেও ছিল না। এটা রেফারিং নয়, এটা সরাসরি চুরি। আমার কাছে পরিষ্কার, তারা চেয়েছিল পর্তুগাল ও রোনালদো শেষ ষোলোতে উঠুক, যাতে স্পেনের মুখোমুখি হতে পারে।’
রোনালদোকে নিয়ে মন্তব্য করতে গিয়ে ইব্রাহিমোভিচ বলেন, ‘পর্তুগালের সমর্থকদের এখন যা হচ্ছে, তা আগে থেকেই অনুমান করা উচিত ছিল। ২০২৬ সালে ৪১ বছর বয়সি ক্রিস্টিয়ানো রোনালদোকে আক্রমণের নেতৃত্ব দিয়ে আপনি কিছুই জিততে পারবেন না। বিশেষ করে যখন বদলি হিসেবে নেমে গনসালো রামোস গোল করছে, অথচ সে বেঞ্চে বসে থাকে।’
এদিকে, ইব্রাহিমোভিচ মনে করেন, রোনালদো পর্তুগাল দলকে জিম্মি করে রেখেছেন। তিনি বলেন, ‘এটা কোনো ‘কিংবদন্তির নেতৃত্ব’ নয়। বরং তার অহংকার পুরো দলকে জিম্মি করে রেখেছে। রোনালদো তার আগের ছোঁয়া ও গতিশীলতা হারিয়েছে। এখন সে শুধুমাত্র বক্সের ভেতরেই অবস্থান করে। এই পর্যায়ে তার পায়ের চেয়ে তার খ্যাতিই তাকে বেশি এগিয়ে রাখছে। শুধুমাত্র অতীতের স্মৃতির কারণে তাকে একাদশে খেলিয়ে যাওয়া নিছক উন্মাদনা।’
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন