প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
বঙ্গভবনে শপথ গ্রহণের পূর্বে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার সমাধিস্থলে শ্রদ্ধা জানাবেন নবনির্বাচিত রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
শুক্রবার (২১ আগস্ট) বাদ জুমা রাজধানীর শেরে বাংলা নগর এলাকায় অবস্থিত জিয়া উদ্যানে তিনি তাদের সমাধিস্থলে যাবেন। সেখানে শ্রদ্ধা জানানোর পর তিনি দোয়া-মোনাজাত পরিচালনা করবেন। পরে সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় বঙ্গভবনে নতুন রাষ্ট্রপতি হিসেবে শপথ নেবেন তিনি।
গত বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) দুপুর ২টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত জাতীয় সংসদ ভবনে রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়েছে। ভোট গণনা শেষে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিন ফল ঘোষণা করেন। ২৫৫ ভোট পেয়ে দেশের ২৩তম রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হন বিএনপির প্রার্থী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
নবনির্বাচিত রাষ্ট্রপতিকে শুভেচ্ছা জানানোর জন্য প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান তাকে লাল গোলাপ দিয়ে অভিনন্দন জানান। পরে বিরোধীদলীয় নেতাসহ অন্যান্য সংসদ সদস্যরাও একে একে তাঁকে শুভেচ্ছা জানান।
রাতে নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের জ্যেষ্ঠ সচিব আখতার আহমেদের সাক্ষরিত একটি সরকারি গেজেটের মাধ্যমে নির্বাচিত রাষ্ট্রপতি হিসেবে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের নাম ঘোষণা করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।
প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়েছে, ‘রাষ্ট্রপতি নির্বাচন আইন, ১৯৯১’-এর ধারা ১১ এবং ‘রাষ্ট্রপতি নির্বাচন বিধিমালা, ১৯৯১’-এর বিধি ১২(৬) অনুযায়ী নির্বাচনী কর্মকর্তা ও নির্বাচন কমিশনের ঘোষণা অনুযায়ী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি পদে নির্বাচিত ঘোষণা করা হলো।
মহান সংবিধানের বিধান অনুসারে, নবনির্বাচিত রাষ্ট্রপতির শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে শুক্রবার সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় বঙ্গভবনে। বর্তমানে স্পিকারের ভারপ্রাপ্ত দায়িত্ব পালনরত ব্যারিস্টার কায়সার কামালই তাকে শপথ পড়াবেন।
নবনির্বাচিত রাষ্ট্রপতির শপথ পড়ানোর বিষয়টি নিশ্চিত করতে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ আইন মন্ত্রণালয়ের কাছে মতামত জানতে চায়। আইন মন্ত্রণালয়ের মতামত অনুসারে, সংবিধান অনুযায়ী স্পিকারের দায়িত্বে থাকা ব্যারিস্টার কায়সার কামাল রাষ্ট্রপতিকে শপথ পড়াবেন।
এর আগে গত ২৪ জুলাই বাংলাদেশের ২২তম রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন পদত্যাগ করেন। তিনি ২০২৩ সালের ২৪ এপ্রিল রাষ্ট্রপতির দায়িত্বভার গ্রহণ করেছিলেন এবং প্রায় তিন বছর দায়িত্ব পালন করেন। তার পদত্যাগের পর জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদকে ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব প্রদান করে প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়।
পরে গত ৬ আগস্ট রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করে নির্বাচন কমিশন। এবার প্রতিদ্বন্দ্বিতামূলক নির্বাচনের মাধ্যমে দেশের ২৩তম রাষ্ট্রপতি হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করতে যাচ্ছেন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন