প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
অভিজ্ঞতা ও সংস্কৃতি মিলিয়ে ইনিংস হারের শঙ্কা বাস্তবে পরিণত হলো। ম্যাকাই টেস্টে অস্ট্রেলিয়ার কাছে বাংলাদেশ ম্যাচটি হেরে গেছে ইনিংস ও ৫১ রান ব্যবধানে। প্রথম ইনিংসে মাত্র ৬৪ রানে অলআউট হওয়ার পর দ্বিতীয় ইনিংসেও সফরকারী দলের অবস্থা ভালো হয়নি, তারা ৯৫ রানে অলআউট হয়েছে। এই কারণে বাংলাদেশের লড়াই দুই দিনেই শেষ হয়ে গেল।
টস জিতে অস্ট্রেলিয়া যখন বোলিংয়ের সিদ্ধান্ত নিয়েছে, তখন থেকেই বাংলাদেশ চাপের মধ্যে ছিল। প্রথম ইনিংসে ব্যাটিং বিপর্যয়ের পরে দ্বিতীয় ইনিংসে পরিস্থিতি পাল্টায়নি। বাংলাদেশ ১৪৬ রানের লিড নিয়ে দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যাটিং করতে নামার সময় শুরুতেই মিচেল স্টার্কের বোলিংয়ে দুর্বলভাবে ফিরে আসে।
সাদমান ইসলাম ও মুমিনুল হককে পরপর দুই বলে আউট করেন স্টার্ক। পরে প্যাট কামিন্সের বলে তানজিদ হাসান ৯ রান করে ফিরে যান। প্রথমে ২৪ রানে ৩ উইকেট হেরানোর পর বাংলাদেশকে কিছুটা স্বস্তির সুযোগ দেন নাজমুল হোসেন শান্ত ও মুশফিকুর রহিম।
তবে তারা বেশি সময় টেকে না। নাজমুল হোসেন ৪৬ বলে ৩১ রান করে নাথান লায়নের বলেই আউট হন। এরপর লিটন দাস কোনো রান না করেই স্টার্কের শিকার হয়ে ফিরে যান।
মেহেদী হাসান মিরাজ ১ রান, হাসান মাহমুদ ২ রান এবং তাইজুল ইসলাম ৭ রান করে ফেরত আসলে বাংলাদেশের ইনিংসে হারার শঙ্কা আরো বাড়তে থাকে। মুশফিকুর রহিম একপাশে লড়াই চালিয়ে যাচ্ছেন, তবে সতীর্থদের কাছ থেকে প্রয়োজনীয় সাহায্য পাননি।
শেষ পর্যন্ত ৮০ বলে ২৯ রান করে মুশফিকুর রহিম বাংলাদেশের দ্বিতীয় ইনিংসে সর্বোচ্চ রান করেন। তাসকিন আহমেদ ৮ এবং শরীফুল ইসলাম কোনো রান না করেই আউট হলে ৩৮.৩ ওভারে ৯৫ রানে শেষ হয়ে যায় বাংলাদেশের ইনিংস।
অস্ট্রেলিয়ার পক্ষে মিচেল স্টার্ক ৪ উইকেট, প্যাট কামিন্স ৩ উইকেট এবং নাথান লায়ন ২ উইকেট নেন। জশ হ্যাজলউড এক উইকেট পান।
প্রথম ইনিংসে বাংলাদেশের ব্যাটিং ব্যর্থতার পরে, বাংলাদেশী বোলারদের সহায়তায় সৃজিত কিছুটা স্বস্তি আনেন অস্ট্রেলিয়াকে ২১০ রানে অলআউট করায়। শরীফুল ইসলাম একাই ৭ উইকেট নেওয়ার কৃতিত্ব দেখান। তাসকিন আহমেদ, তাইজুল ইসলাম ও মেহেদী হাসান মিরাজ এক একটি করে উইকেট নেন।
অস্ট্রেলিয়ার হয়ে ক্যামেরন গ্রিন ৬৭ এবং স্টিভ স্মিথ ৪২ রান করেছেন। নাথান লায়ন অপরাজিত ছিলেন ৩২ রানে।
প্রথম ইনিংসে ৬৪ রানে অলআউট হওয়ার পর অস্ট্রেলিয়া ২১০ রান করে ১৪৬ রানের লিড পায়। সেই লিড বাংলাদেশের পক্ষে জয় করা সম্ভব হয়নি। বরং দ্বিতীয় ইনিংসে ৯৫ রানে অলআউট হয়ে ইনিংস ও ৫১ রানে হারতে হয়।
এই হারের ফলে দুই টেস্টের সিরিজ ১–১ সমতায় শেষ হলো।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন