প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
সাম্প্রতিক পাল্টা হামলার পর, ইরান এবং ইসরাইল উভয় দেশই জানিয়েছে যে ‘হামলা’ আপাতত বন্ধ রাখা হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প ইসরাইলকে সতর্ক করার পর ইসরাইল তেহরানের বিরুদ্ধে নতুন হামলা থেকে বিরত থাকে বলে বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশিত প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
প্রতিবেদনে দাবী করা হচ্ছে যে, ট্রাম্প তার ‘ঘনিষ্ঠ বন্ধু’ এবং ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুকে জানিয়েছেন যে, ইরানের বিরুদ্ধে আরও হামলা চালালে ওয়াশিংটনের সমর্থন হারানোর ঝুঁকিতে পড়তে পারে ইসরাইল।
তবে, যুক্তরাষ্ট্রে ইসরাইলের রাষ্ট্রদূত ইয়েচিয়েল লেতার এই দাবিকে অস্বীকার করেছেন। তার মতে, দুই নেতার মধ্যে আলোচনাটি সহযোগিতামূলক ছিল এবং কিছু সংবাদমাধ্যম বিষয়টিকে ভুলভাবে ‘চূড়ান্ত সতর্কবার্তা’ হিসাবে তুলে ধরেছে।
ফক্স নিউজকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে, ইসরাইলি লেতার বলেছেন, ‘তাদের (ট্রাম্প-নেতানিয়াহু) বন্ধুত্ব প্রায় ৪০ বছরের। কখনও কখনও ভালোবাসার সম্পর্কের মানুষের মধ্যে মতবিরোধ বা উত্তপ্ত আলোচনা হতে পারে, কিন্তু সেটিকে অতিরঞ্জিত করা উচিত নয়।’
তিনি আরও দাবি করেন যে, ট্রাম্পের অনুরোধে নেতানিয়াহু সামরিক পদক্ষেপের ক্ষেত্রে ‘উত্তেজনা কমানোর’ সিদ্ধান্ত নিলেও মার্কিন প্রেসিডেন্ট ভালোভাবে বোঝেন যে, ইসরাইল তার ভূখণ্ডে ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র হামলা সহ্য করে কোনো প্রতিক্রিয়া না দেখিয়ে থাকবে না।
রাষ্ট্রদূত বলেন, ‘মূলত আমরা যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের মধ্যে অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ সমন্বিত প্রচেষ্টার কথাই বলছি। দুই দেশের মধ্যে পারস্পরিক বোঝাপড়া অত্যন্ত শক্তিশালী।’
সাম্প্রতিক এই ঘটনাপ্রবাহ মধ্যপ্রাচ্যে নতুন করে যুদ্ধ ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা তৈরি করলেও, উভয় পক্ষের হামলা স্থগিতের ঘোষণাকে আপাতত উত্তেজনা কমার একটি ইতিবাচক সংকেত হিসেবে দেখা হচ্ছে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন