প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
২০১২ সালে হাইকোর্ট এলাকা থেকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের সাক্ষী সুখরঞ্জন বালীকে অপহরণের পর গুমের ঘটনা ঘটে।
ওই ঘটনায় ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি) জানিয়েছে, তৎকালীন সহকারী পুলিশ সুপার (এএসপি) ফজলুর রহমান সরাসরি জড়িত ছিলেন। ডিবির দাবি, ওই ঘটনায় তদন্তে ফজলুর রহমানের প্রত্যক্ষ সম্পৃক্ততার তথ্য উঠে এসেছে।
শুক্রবার বিকেলে ডিএমপির মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে ডিবির অতিরিক্ত কমিশনার মো. শফিকুল ইসলাম এ তথ্য জানান। তিনি বলেন, “আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল (আইসিটি) থেকে পাঠানো রিকুইজিশনের ভিত্তিতে বৃহস্পতিবার রাত ১০টার দিকে রাজধানীর বাড্ডায় নিজ বাসা থেকে ফজলুর রহমানকে গ্রেফতার করা হয়।” পরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের কাছে তাকে হস্তান্তর করা হয়েছে। আদালতের আদেশে তাকে এখন কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
মো. শফিকুল ইসলাম আরও বলেন, “আমরা জানতে পেরেছি, আল্লামা দেলোয়ার হোসেন সাঈদীর মামলার সাক্ষী সুখরঞ্জন বালীকে অপহরণের ঘটনায় তিনি সরাসরি জড়িত ছিলেন।”
তিনি আরও জানান, ঘটনার সময়ে ফজলুর রহমান ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) একজন কর্মকর্তা হিসেবে কর্মরত ছিলেন। তদন্তে উঠে এসেছে, ঘটনার দিন সুখরঞ্জন বালী যখন হাইকোর্ট এলাকায় গাড়ি থেকে নামছিলেন, ফজলুর রহমান তখন তাকে থাপ্পড় মারেন এবং শার্টের কলার ধরে ডিবির একটি গাড়িতে তুলে নিয়ে যান। এ ঘটনায় তিনি ও তার টিমের সদস্যরা প্রত্যক্ষভাবে জড়িত ছিলেন, এমনটিও তদন্তে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে।
ডিবির অতিরিক্ত কমিশনার আরও বলেন, আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের অনুরোধের পরিপ্রেক্ষিতেই ফজলুর রহমানকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এ মামলার পরবর্তী আইনি কার্যক্রম ট্রাইব্যুনালের মাধ্যমেই পরিচালিত হবে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন