প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
দখলকৃত পশ্চিম তীরে অবৈধ ইসরায়েলি বসতি স্থাপনের কার্যক্রম অব্যাহত থাকায় তীব্র উদ্বেগ প্রকাশ করেছে জাতিসংঘের সংযুক্ত আরব আমিরাতের স্থায়ী মিশন। তারা এ বিষয়টি নিয়ে নিন্দাও জানিয়েছে। একই সঙ্গে ফিলিস্তিনিদের নিজ এলাকা থেকে জোরপূর্বক উচ্ছেদ এবং ইসরায়েলি নিরাপত্তা বাহিনীর সুরক্ষায় বসতি স্থাপনকারীদের বারবার আল-আকসা মসজিদে প্রবেশের ঘটনা নিয়ে তারা কঠোরভাবে সমালোচনা করেছে।
নিউইয়র্কে জাতিসংঘ সদর দপ্তরে আরব গ্রুপ এবং ইসলামি সহযোগিতা সংস্থা (ওআইসি)-এর সঙ্গে যৌথভাবে দেওয়া এক বক্তব্যে আমিরাতের মিশন তাদের অবস্থান তুলে ধরে। বক্তব্যে তারা বলেন, "পূর্ব জেরুজালেমসহ দখলকৃত ফিলিস্তিনি ভূখণ্ডে যেসব পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে, তার উদ্দেশ্য ওই অঞ্চলের ঐতিহাসিক, আইনি ও জনসংখ্যাগত চরিত্র পরিবর্তন করা।" এসব পদক্ষেপ আন্তর্জাতিক আইনের সুস্পষ্ট লঙ্ঘন বলে উল্লেখ করা হয়েছে।
আমিরাতের মিশন আরো জানায়, ফিলিস্তিনি ভূখণ্ডে বসতি সম্প্রসারণ, জমি দখল এবং স্থানীয় জনগণকে উচ্ছেদের মতো কর্মকাণ্ড পরিস্থিতিকে আরো জটিল করে তুলছে। এতে ওই অঞ্চলে উত্তেজনা ও অস্থিতিশীলতা বাড়ছে।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে জাতিসংঘের আমিরাত মিশন বলেছে, "এসব কার্যক্রম শুধু বর্তমান সংকটকে গভীর করছে না, বরং দীর্ঘমেয়াদি শান্তি প্রতিষ্ঠার প্রচেষ্টাকেও বাধাগ্রস্ত করছে।" তাদের মতে, দুই রাষ্ট্রভিত্তিক সমাধানের মাধ্যমে ফিলিস্তিন ও ইসরায়েলের মধ্যে একটি ন্যায়সঙ্গত ও স্থায়ী শান্তি প্রতিষ্ঠার যে আন্তর্জাতিক প্রচেষ্টা চলছে, বসতি সম্প্রসারণ ও উচ্ছেদের মতো পদক্ষেপ সেই সম্ভাবনাকে দুর্বল করে দিচ্ছে।
সংযুক্ত আরব আমিরাত আন্তর্জাতিক আইন ও জাতিসংঘের বিভিন্ন প্রস্তাব মেনে চলার আহ্বান জানিয়ে বলেছে, দখলকৃত ফিলিস্তিনি ভূখণ্ডের অবস্থান পরিবর্তনের যেকোনো উদ্যোগ বন্ধ করতে হবে এবং অঞ্চলে শান্তি প্রতিষ্ঠার জন্য কূটনৈতিক প্রচেষ্টা জোরদার করতে হবে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন