প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
কলম্বিয়ায় ৭ দশমিক ৪ মাত্রার শক্তিশালী ভূমিকম্পের ফলে নিহতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১১১ জনে। এই ঘটনায় ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি ও প্রাণহানির জন্য কলম্বিয়া সরকার দেশে ‘জাতীয় দুর্যোগ’ বা জরুরি অবস্থা ঘোষণা করেছে। এই ভূমিকম্পটি সোমবার, ১০ আগস্টে ঘটে এবং উদ্ধারকাজ ও ক্ষয়ক্ষতির সর্বশেষ তথ্যের ভিত্তিতে প্রেসিডেন্ট আবেলাদো দে লা এস্প্রিয়েলা জরুরি অবস্থা ঘোষণা করেন।
প্রেসিডেন্ট জানিয়েছেন, এই শক্তিশালী ভূমিকম্পে এখন পর্যন্ত অন্তত ৮৭ জন আহত হয়েছেন। এর পাশাপাশি, ৬১টি ভবন পুরোপুরি ধসে পড়েছে এবং ১ হাজার ৫৭৫টি বাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। দ্য অ্যাসোসিয়েশন অব ক্যাপিটাল সিটিস অব কলম্বিয়া জানিয়েছে, প্রেসিডেন্টের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কমিটির বৈঠকের পর এই জরুরি অবস্থার ঘোষণা দেওয়া হয়। জরুরি অবস্থার ফলে সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকায় অতিরিক্ত সম্পদ ও সহায়তা পাঠানোর প্রক্রিয়া আরও সহজ হবে।
এর আগে, মার্কিন ভূতাত্ত্বিক জরিপ (ইউএসজিএস) জানায়, সোমবার রাজধানী বোগোটা থেকে প্রায় ৪০০ কিলোমিটার পশ্চিমে চোকো অঞ্চলের সান হোসে দেল পালমার পৌরসভার কাছে ভূপৃষ্ঠের ১০৭ কিলোমিটার গভীরে এই ভূমিকম্প ঘটেছে। প্রথমে নিহতের সংখ্যা ৪৭ জন করা হয়েছিল। পেরেইরা শহরে ১৮ জন, মানিজালেস শহরে দুজন এবং ভ্যালে দে কাউকায় অন্তত ২৭ জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া যায়। এএফপির সাংবাদিকরা জানিয়েছেন, ভূমিকম্পের কারণে বোগোটায় বিভিন্ন ভবন থেকে বাসিন্দাদের নিরাপদে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে।
চোকো প্রদেশের গভর্নর নুবিয়া কর্ডোবা এক্সে দেওয়া পোস্টে জানান, ‘আমরা এইমাত্র চোকো বিভাগে একটি বড় ভূমিকম্প অনুভব করেছি। আমরা আফটারশক নিয়ে উদ্বিগ্ন।’ তিনি জানান, রাজধানী কুইবদোতেও ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। উল্লেখ্য, জুনের শেষের দিকে ভেনিজুয়েলায় শক্তিশালী ভূমিকম্পে ৬ হাজারের বেশি মানুষের মৃত্যু ঘটেছিল, তার কয়েক সপ্তাহ পরেই কলম্বিয়ায় এই ঘটনার অবতারণা হলো।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন