প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
কুমিল্লা মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের অধীনে অনুষ্ঠিত ২০২৬ সালের এসএসসি পরীক্ষার ফলাফলে ছয় জেলার মধ্যে সর্বনিম্ন অবস্থানে রয়েছে নোয়াখালী। তবে এই জেলায় সেরা ফলাফল অর্জন করেছে নোয়াখালী সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়। বিদ্যালয়টি শতভাগ পাসের পাশাপাশি ১৫২ জন শিক্ষার্থীর গ্রহণ করেছে জিপিএ-৫।
সোমবার প্রকাশিত এসএসসি পরীক্ষার ফলাফল অনুযায়ী, নোয়াখালী সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় থেকে এবার ২৪৮ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নিয়ে সবাই উত্তীর্ণ হয়েছে। এর মধ্যে ১৫২ জন পেয়েছে জিপিএ-৫। ফলে গতবারের ধারাবাহিকতায়, এবারও বিদ্যালয়টি জেলায় শীর্ষস্থান ধরে রেখেছে।
দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে নোয়াখালী জিলা স্কুল। এই বিদ্যালয় থেকে ২৩৪ জন পরীক্ষার্থী অংশ নিয়ে উত্তীর্ণ হয়েছে ২৩০ জন। এই বিদ্যালয় থেকে জিপিএ-৫ পেয়েছে ১৩১ জন। বিদ্যালয়টির পাসের হার ৯৮ দশমিক ২৯ শতাংশ।
প্রকাশিত ফলাফল বিশ্লেষণে দেখা যাচ্ছে, নোয়াখালী জেলায় সার্বিক পাসের হার ৫৯.৯৮%। এটি কুমিল্লা বোর্ডের গড় পাসের হার (৬৫.৪২%) থেকে প্রায় ৫.৪৪% কম। তবে এ বছর ছেলেদের তুলনায় মেয়েদের পরীক্ষায় অংশগ্রহণ ও পাশের হার অনেকটা এগিয়ে রয়েছে। দেখা যায়, মোট শিক্ষার্থীর মধ্যে ছেলেদের অংশগ্রহণ করেছে ১০ হাজার ৩৫৭ জন, পাশ করেছে ৬ হাজার ৮ জন এবং মেয়েদের অংশগ্রহণ ছিল ১৪ হাজার ৭২৬ জন; পাশ করেছে ৯ হাজার ৩৮ জন। এর মধ্যে জেলায় জিপিএ-৫ পেয়েছে ১ হাজার ২১৭ জন শিক্ষার্থী, এবং শতভাগ পাস করা প্রতিষ্ঠান ৪টি। গত বছর এই জেলায় পাশের হার ছিল ৪০ দশমিক ৪৩ শতাংশ; যদিও এ বছর কিছুটা বেড়েছে।
এদিকে, জেলাভিত্তিক ফলাফলে পিছিয়ে থাকলেও উপজেলা পর্যায়ে ভালো ফলাফল দেখিয়েছে কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা। সেখানে পাশের হার ৬৮.৬৮% হলেও, নোয়াখালী সদর উপজেলায় সর্বোচ্চ ৬৩০টি শিক্ষার্থী জিপিএ-৫ পেয়েছে। ফলাফল তুলনায় হাতিয়া উপজেলা খারাপ করেছে, যার পাশের হার ৪৮.৭০ শতাংশ।
নোয়াখালী সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলম, শতভাগ শিক্ষার্থী পাশ করার ব্যাপারে মন্তব্য করেছেন। তিনি বলেছেন, শিক্ষকদের কঠোর নজরদারি, শ্রেণিকক্ষে নিয়মিত পাঠদান, অভিভাবকদের সঠিক তত্ত্বাবধায়ন এবং শিক্ষার্থীদের প্রতি তীব্র নজরধারী ও তাদের কঠোর অধ্যাবসায়ই এ সাফল্যের মূল কারণ। তিনি আরো বলেন, গত বছরও এই বিদ্যালয়টি জেলায় ফলাফলে শীর্ষস্থানে ছিল, এবং আগামী বছরেও ফলাফল শতভাগ করার জন্য এখন থেকেই পরিকল্পনা নিয়ে পাঠদান করানো হবে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন