প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
যুদ্ধবিরতি চুক্তির পর, হরমুজ প্রণালিতে একটি পণ্যবাহী জাহাজে ড্রোন হামলার অভিযোগ তুলে ইরানকে দায়ী করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প। এই অবস্থাকে তিনি যুদ্ধবিরতি চুক্তির একটি ‘নির্বোধ ও বোকামিপূর্ণ লঙ্ঘন’ বলে অভিহিত করেছেন।
শুক্রবার (২৬ জুন) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে দেয়া এক পোস্টে ট্রাম্প উল্লেখ করেছেন যে, ইরান হরমুজ প্রণালির মাধ্যমে চলাচলকারী জাহাজগুলোর ওপর অন্তত চারটি ‘ওয়ান-ওয়ে অ্যাটাক ড্রোন’ বা আত্মঘাতী ড্রোন নিক্ষেপ করেছে।
ট্রাম্প বলেন, ‘ড্রোনগুলোর একটি একটি বড় ও অত্যন্ত মূল্যবান পণ্যবাহী জাহাজের ওপরের ডেকে সরাসরি আঘাত হানে। এতে জাহাজটির কিছু ক্ষয়ক্ষতি হলেও সেটি যাত্রা অব্যাহত রাখতে সক্ষম হয়। যুক্তরাষ্ট্রের বাহিনী তিনটি ড্রোন ভূপাতিত করতে সক্ষম হয়েছে।’
মার্কিন প্রেসিডেন্ট আরও মন্তব্য করেছেন, ‘এটি স্পষ্টতই আমাদের যুদ্ধবিরতি চুক্তির একটি বোকামিপূর্ণ লঙ্ঘন।’ তবে ট্রাম্প ঠিক কোন ঘটনার উল্লেখ করেছেন কিংবা হামলাটি কখন ঘটেছে, সে বিষয়ে বিস্তারিত জানাননি।
এদিকে, যুক্তরাষ্ট্রের একজন কর্মকর্তা সংবাদমাধ্যম সিএনএনকে জানিয়েছেন, হরমুজ প্রণালিতে একটি পণ্যবাহী জাহাজে ড্রোন হামলার জন্য ওয়াশিংটন ইরানকে দায়ী করছে। ওই হামলার পর পারস্য উপসাগরে আটকে পড়া জাহাজ এবং সেখানে অবস্থানরত হাজারো নাবিককে সরিয়ে নিতে জাতিসংঘের চলমান অভিযান সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছে।
তবে মার্কিন কর্মকর্তাটি হামলার ধরন বা ক্ষয়ক্ষতির মাত্রা নিয়ে অতিরিক্ত কোনো তথ্য দেননি। অন্যদিকে, ইরানও এ হামলার দায় এখনও স্বীকার করেনি।
যুক্তরাজ্যের ইউকে মেরিটাইম ট্রেড অপারেশনস (ইউকেএমটিও) জানিয়েছে, একটি পণ্যবাহী জাহাজের ডান পাশে অজ্ঞাত একটি ক্ষেপণাস্ত্র বা বস্তু আঘাত হানে। এতে জাহাজটির চালকের কক্ষ বা ব্রিজ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
অন্যদিকে, ইরানের পারস্য উপসাগরীয় সমুদ্রপথ ব্যবস্থাপনা সংস্থা সতর্ক করে বলেছে, তাদের নির্ধারিত নৌপথের বাইরে চলাচলকারী জাহাজগুলোর নিরাপত্তার নিশ্চয়তা দেয়া হবে না এবং এসব জাহাজ কোনো বিমা বা সংশ্লিষ্ট দায়-দায়িত্বের আওতায় থাকবে না।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে সংস্থাটি আরও জানিয়েছে, অনুমোদনহীন রুট ব্যবহার করে চলাচলের সব ধরনের দায়ভার সংশ্লিষ্ট জাহাজের মালিক, অপারেটর এবং কমান্ডারের ওপর বর্তাবে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন