প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
পোশাক ট্রায়ালের সময় প্রিয়ঙ্কা কখনও কখনও দামি পোশাক ও জিনিসপত্রকে অযত্নে ব্যবহার করতেন, যা ক্যারির কাছে একদমই গ্রহণযোগ্য ছিল না।
বলিউডের পর তিনি নিজেকে হলিউডে প্রতিষ্ঠিত করেছেন। ফলে বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে তাঁর অভিজ্ঞতার সংখ্যা বৃদ্ধি পেয়েছে। দেশ-বিদেশের বিভিন্ন শিল্পীদের সঙ্গে তিনি কাজ করেছেন। প্রিয়ঙ্কার সঙ্গে কাজ করার অভিজ্ঞতার বিষয়ে এবার মুখ খুললেন নামী স্টাইলিস্ট ক্যারি টউবেন। উল্লেখযোগ্যভাবে, তিনি প্রিয়ঙ্কার একটি 'রুক্ষ' আচরণের কথা উল্লেখ করেছেন। ওই ঘটনা ক্যারির মনে বহু বছর ধরে রয়ে গেছে।
‘কোয়ান্টিকো’র শুটিং চলাকালীন প্রিয়ঙ্কার পোশাকের দায়িত্বে ছিলেন ক্যারি। তিনি প্রিয়ঙ্কার স্টাইলিংয়ের কাজও করেছিলেন। ক্যারি জানান, প্রথম থেকেই প্রিয়ঙ্কাকে তাঁর খুব ভালো লেগেছিল। প্রিয়ঙ্কা ছিলেন আন্তরিক, বন্ধুত্বপূর্ণ এবং তাঁর কাজের কিছুটা প্রশংসা করতেন। কিন্তু পোশাক বাছাইয়ের সময় কিছু বিষয় ক্যারিকে হতবাক করেছিল।
পোশাক ট্রায়ালের সময় প্রিয়ঙ্কা কখনও কখনও দামি পোশাক ও জিনিসপত্র অযত্নের সঙ্গে ব্যবহার করে ফেলতেন, যা ক্যারির কাছে মোটেই পছন্দনীয় ছিল না। ক্যারির কথায়, “ট্রায়ালের সময় সে একটু রুক্ষ আচরণ করতো। পোশাকের যথাযথ যত্ন নিত না। বিষয়টি আমার কাছে অসম্মানজনক মনে হয়েছিল।”
তিনি জানান, ট্রায়ালের জন্য নামী ফ্যাশন ব্র্যান্ড ও ডিজ়াইনার বুটিক থেকে পোশাক, জুতো ইত্যাদি আনা হত। সেগুলোর মূল্য ছিল খুবই আকাশছোঁয়া। একটি নির্দিষ্ট ঘটনার কথা মনে করে ক্যারি বলেন, “সে একটি দামি জুতো পায়ে ঠেলে এক পাশে সরিয়ে দিয়েছিল।” স্টাইলিস্টের দাবি, ওই জুতোর দাম ছিল প্রায় ১ হাজার মার্কিন ডলার (ভারতীয় মূল্য প্রায় ৯৬ হাজার টাকা)। এ কারণে ঘটনাটি তার মনে থেকে গেছে বলেও জানা যাচ্ছে। কিন্তু এসবের পরও প্রিয়ঙ্কার সঙ্গে তাঁর সুসম্পর্ক বজায় রয়েছে বলেও ক্যারির বক্তব্য।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন