প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
রাজধানীর মতিঝিলের শাপলা চত্বরে হেফাজতে ইসলামের মহাসমাবেশের ফলস্বরূপ হত্যাযজ্ঞের ঘটনায় প্রস্তুতকৃত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলার তদন্ত বিদ্যমান। তদন্তের কাজ সম্পন্ন হয়েছে। যাচাই-বাছাই শেষে চলতি মাসে প্রতিবেদন দাখিল করা হবে, এই তথ্য জানালেন প্রসিকিউশন।
বুধবার আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর, আমিনুল ইসলাম, এই তথ্যটি গণমাধ্যমকে জানান।
তিনি উল্লেখ করেন, দীর্ঘ সময় ধরে এ মামলার তদন্ত কার্যক্রম চলেছে। তদন্তের সময়ে ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও সেই সময়ে দায়িত্বে থাকা কয়েকজন মন্ত্রীকে আসামি হিসাবে রাখা হয়েছে। তদন্ত শেষে প্রতিবেদন যাচাইয়ের কাজ বর্তমানে চলছে। অবকাশকালীন ছুটি শেষ হওয়ার পর এর প্রতিবেদন ২১ জুলাইয়ের পরে জমা দেওয়া হবে। এটির পর আনুষ্ঠানিক অভিযোগ আকারে ট্রাইব্যুনালে উপস্থাপিত হবে।
আমিনুল ইসলাম বলেন, মামলার তদন্তে যাদের বিরুদ্ধে মানবতাবিরোধী অপরাধের প্রাথমিক প্রমাণ রয়েছে তাদেরকে আসামি করা হবে। এই প্রক্রিয়ায় শেখ হাসিনাসহ বেশ কয়েকজনের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য-প্রমাণ পাওয়া গেছে। ফরমাল চার্জ বা আনুষ্ঠানিক অভিযোগ দাখিলের মাধ্যমে আসামিদের নাম প্রকাশ করা হবে।
এ মামলার তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য ১০ আগস্টের দিন ধার্য করা হয়েছে। এই তারিখটি গত ৭ জুন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ চেয়ারম্যান বিচারপতি মো. গোলাম মর্তূজা মজুমদারের তত্ত্বাবধানে নির্ধারিত হয়।
বর্তমানে এই মামলায় ৯ জন গ্রেফতার রয়েছেন। এই ৯ জনের মধ্যে সাবেক মন্ত্রী ডা. দীপু মনি, সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামসুল হক টুকু, মেজর জেনারেল (অব.) জিয়াউল আহসান, পুলিশের সাবেক মহাপরিদর্শক (আইজিপি) একেএম শহিদুল হক, পুলিশের সাবেক উপ-মহাপরিদর্শক (ডিআইজি) মোল্যা নজরুল ইসলাম, একাত্তরের ঘাতক-দালাল নির্মূল কমিটির উপদেষ্টা মণ্ডলীর সভাপতি শাহরিয়ার কবির, সাবেক ডিআইজি আবদুল জলিল মণ্ডল, সাংবাদিক ফারজানা রুপা ও মোজাম্মেল বাবু অন্তর্ভুক্ত আছেন।
প্রসিকিউশনের তথ্য অনুযায়ী, ২০১৩ সালের ৫ মে হেফাজতে ইসলামের সমাবেশ ঘিরে ঢাকাসহ দেশের চার স্থানে ৫৮ জন নিহত হন। এর মধ্যে ঢাকায় ৩২, নারায়ণগঞ্জে ২০, চট্টগ্রামে ৫ এবং কুমিল্লায় একজন নিহতের চিহ্নিত করে তদন্ত সংস্থা।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন