প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
মধ্যপ্রাচ্যে চলমান উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর সম্পর্ক নিয়ে নতুন আলোচনার শুরু হয়েছে। লেবাননে নিযুক্ত যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত মিশেল ইসার মন্তব্যে দৃশ্যত, দুই নেতার মধ্যে নীতিগত মতবিরোধের বিষয়টি প্রকাশ পেয়েছে।
আল জাজিরার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, লেবাননকে কেন্দ্র করে সাম্প্রতিক পরিস্থিতি এবং ইসরাইলের সামরিক পদক্ষেপ নিয়ে ট্রাম্প ও নেতানিয়াহুর মধ্যে গুরুতর মতবিরোধ দেখা দিয়েছে। মিশেল ইসা এ দাবী করেন যে, লেবানন ইস্যুতে মতপার্থক্য এতটাই তীব্র হয়ে উঠেছিল যে ট্রাম্প প্রায় নেতানিয়াহুর সঙ্গে ‘হাতাহাতিতে জড়িয়ে পড়ার’ মতো অবস্থায় পৌঁছেছিলেন।
বৈরুতের একটি শহরতলিতে ইসরাইলের বিমান হামলা এবং ইসরাইলে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলাকে ‘রাজনৈতিক বার্তা’ হিসেবে উল্লেখ করে মিশেল ইসা মন্তব্য করেন, যুক্তরাষ্ট্র চায় না যে এই সংঘাত আরও বিস্তৃত হোক। তিনি আরও জানান, ওয়াশিংটন পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে এবং ট্রাম্প প্রতিদিন লেবাননের পরিস্থিতির খোঁজ রাখছেন।
লেবাননের পার্লামেন্ট স্পিকার নাবিহ বেরির সঙ্গে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে ইসা এসব মন্তব্য করেছেন।
এদিকে একজন মার্কিন কর্মকর্তা আল জাজিরাকে নিশ্চিত করেছেন যে, গত কয়েক ঘণ্টার মধ্যে ট্রাম্প ও নেতানিয়াহুর মধ্যে নতুন করে ফোনালাপ শুরু হয়েছে। বিভিন্ন প্রতিবেদনে উঠে এসেছে যে, ওই আলোচনায় ট্রাম্প ইসরাইলকে নতুন কোনো হামলা না চালানোর আহ্বান জানান। তার আশঙ্কা, এই ধরনের কোনো পদক্ষেপ যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের চলমান কূটনৈতিক আলোচনাকে বাধাগ্রস্ত করতে পারে।
অন্যদিকে, সূত্রগুলো জানিয়েছে, ট্রাম্পের এই অনুরোধে নেতানিয়াহু প্রথমে আপত্তি জানালেও পরে আংশিকভাবে সম্মতি দেন।
মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা অব্যাহত থাকলেও পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে—এমন বার্তা দিতে গত ৪৮ ঘণ্টা ধরে সক্রিয়ভাবে কাজ করে যাচ্ছেন ট্রাম্প। তবে এখনও অঞ্চলে সংঘাতের ঝুঁকি পুরোপুরি কাটেনি বলে পর্যবেক্ষকদের ধারণা।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন