প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
জাপানের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের দিকে ধেয়ে আসছে একটি প্রলয়ংকরী ঘূর্ণিঝড়, যার নাম ডলফিন। এই ধীরগতির, ক্যাটাগরি-১ শক্তির টাইফুনটির কারণে অঞ্চলজুড়ে শুরু হয়েছে তীব্র বাতাস, ভারি বর্ষণ, এবং সাগরে উত্তাল ঢেউয়ের সৃষ্টি।
দেশটির প্রশাসন এই পরিস্থিতি মোকাবিলায় ইতোমধ্যেই আড়াই লাখেরও বেশি মানুষকে নিরাপদে সরে যাওয়ার নির্দেশ দিয়েছে। একই সাথে, বৈরী আবহাওয়ার কারণে অন্তত ৫০০টি ফ্লাইট বাতিল করা হয়েছে। অটোমোবাইল জায়ান্ট টয়োটা তাদের ৯টি কারখানার উৎপাদন সাময়িকভাবে স্থগিত করার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে।
জাপান আবহাওয়া সংস্থার তথ্য অনুযায়ী, টাইফুন ডলফিনের কেন্দ্রের কাছে বাতাসের গতিবেগ ঘণ্টায় ১৪৪ কিলোমিটার, যা দমকা হাওয়ার আকারে সর্বোচ্চ ১৯৮ কিলোমিটার পর্যন্ত বৃদ্ধি পাচ্ছে। প্রবালসমৃদ্ধ ওকিনাওয়া ও কাগোশিমা অঞ্চলের দিকে ধেয়ে আসা এই ঝড়ের প্রভাবের কারণে ভয়াবহ বন্যা এবং ভূমিধসের আশঙ্কা করা হচ্ছে।
একই সঙ্গে অতি ভারি বৃষ্টির একটি নির্দিষ্ট ব্যান্ড তৈরি হওয়ার কারণে ক্ষয়ক্ষতির ঝুঁকি আরও বাড়িয়ে দিয়েছে। স্থানীয় কর্তৃপক্ষ সতর্ক করে দিয়েছে যে, জেনারেটর এবং কাঁচাপাকা ঘরবাড়ি উড়িয়ে নিয়ে যাওয়ার মতো তীব্র গতিসম্পন্ন এই বাতাস অবকাঠামোর ব্যাপক ক্ষতি করতে পারে।
এই প্রাকৃতিক দুর্যোগের প্রভাব পড়তে শুরু করেছে দেশটির সর্বদক্ষিণের মূল দ্বীপ কিউশুতেও। বিশেষ করে কুমামোতো প্রশাসনিক অঞ্চলে গত সপ্তাহে ৭.১ মাত্রার শক্তিশালী ভূমিকম্প আঘাত হেনেছিল। ইতোমধ্যেই ভূমিকম্পে ঘরবাড়ি হারানো প্রায় সাত হাজার মানুষ বিভিন্ন আশ্রয়কেন্দ্রে অবস্থান করছেন।
তার ওপর ঝড়ের পাশাপাশি অঞ্চলটিতে ৩৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত তাপমাত্রা বৃদ্ধির পূর্বাভাস থাকায় চরম হিটস্ট্রোকের ঝুঁকিতে পড়েছেন দুর্গত মানুষজন। এরপরও, দক্ষিণ-পশ্চিম অঞ্চলে জরুরি সেবা সংস্থাসমূহকে পুরো পরিস্থিতির দিকে সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থায় রাখা হয়েছে।
সূত্র: রয়টার্স
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন