প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
কুড়িগ্রামের ভূরুঙ্গামারীতে উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা (এসএও) মোঃ মোস্তাফিজুর রহমান এবং তিলাই ইউনিয়নের সাবেক ইউপি সদস্য মোঃ मকবুল হোসেনের মেয়ে মোছাঃ স্বপ্না বেগমের বিয়ে নিয়ে এলাকায় ব্যাপক আলোচনার সৃষ্টি হয়েছে।
এ ঘটনায় বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) রাতে তাঁদের বিয়ে সম্পন্ন হয়েছে। এ সময় সাত লাখ টাকা দেনমোহর ধার্য করা হয়েছে, যা একাধিক সূত্র থেকে নিশ্চিত হওয়া গেছে।
মোঃ মোস্তাফিজুর রহমান কুড়িগ্রাম জেলার চিলমারী উপজেলার থানাহাট ইউনিয়নের রাধাবল্লভ গ্রামের বাসিন্দা নজরুল ইসলামের ছেলে। বর্তমানে তিনি ভূরুঙ্গামারী উপজেলা কৃষি অফিসে উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা (এসএও) হিসেবে কর্মরত রয়েছেন। অন্যদিকে, মোছাঃ স্বপ্না বেগম ভূরুঙ্গামারী উপজেলার আঙ্গারিয়া গ্রামের বাসিন্দা এবং তিলাই ইউনিয়নের সাবেক ইউপি সদস্য মোঃ মকবুল হোসেনের কন্যা।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, কর্মসূত্রে ভূরুঙ্গামারীতে অবস্থানকালে দুজনের মধ্যে পরিচয় হয়। তাঁদের মধ্যে ব্যক্তিগত সম্পর্ক গড়ে ওঠার বিষয়টি স্থানীয়ভাবে জানাজানি হলে ৬ আগস্ট রাতে মোস্তাফিজুর রহমান স্বপ্না বেগমের বাসায় গেলে স্থানীয়রা তাঁদের আটক করে। অবশেষে উভয় পক্ষের সম্মতিতে তাঁদের বিয়ে সম্পন্ন হয়। বিয়েতে স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।
এদিকে, স্থানীয় একাধিক সূত্র জানিয়েছে, মোস্তাফিজুর রহমান বিবাহিত এবং তাঁর স্ত্রী ও সন্তান রয়েছে। জানা গেছে, তাঁর স্ত্রী একটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক হিসেবে কর্মরত।
ঘটনার বিষয়ে ভূরুঙ্গামারী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আজিম উদ্দিন বলেন, “স্থানীয়দের মাধ্যমে জানতে পারি, ওই নারী ও পুরুষের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে সম্পর্ক ছিল। পরে লোকজন তাদের নিয়ে এলে উভয় পক্ষের সম্মতিতে বিয়ে সম্পন্ন হয়।”
তবে মোস্তাফিজুর রহমানের বক্তব্য জানতে তাঁর মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি। ফলে এ বিষয়ে তাঁর বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
ঘটনাটি নিয়ে এলাকাজুড়ে আলোচনা চলছে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন