প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
নোয়াখালীর সুবর্ণচরে পৃথক ঘটনায় তিনজনের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
এদের মধ্যে রয়েছে এক ব্র্যাককর্মী, এক গৃহবধূ এবং এক শিশু। মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) দুপুরে উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় পৃথক সময়ে এসব মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, ব্র্যাকের কর্মসূচি সহকারী-পিএ দাউদুল অফিসের পাশে একটি কক্ষে থাকতেন। সোমবার রাতে তিনি ব্রাকের ম্যানেজরাকে জানান যে তার শরীরটা ভালো লাগছেনা। তাই তিনি আজকে গেস্ট রুমে থাকবেন। পরে তিনি গেস্ট রুমের চাবি নিয়ে সেখানে রাতে যেতে যান। সকালে, ৯টার দিকে অফিসের পিয়ন চাবির জন্য গেস্ট রুমে গেলে তার ঝুলন্ত মরদেহ দেখতে পান। তবে পুলিশ ও নিহতের স্বজনেরা আত্মহত্যার কোনো কারণ জানাতে পারেননি।
নিহত দাউদুল ফেনী সদর উপজেলার এলাহীগঞ্জ বাজার এলাকার আবুল কালামের ছেলে। তিনি সুবর্ণচরে চরজব্বার ইউনিয়নে ব্র্যাকের কাঞ্চন বাজার শাখায় কর্মসূচি সহকারী-পিএ হিসেবে কর্মরত ছিলেন।
অন্যদিকে, চরজব্বর ইউনিয়নের জাহাজমারা গ্রামের রিপনের স্ত্রী তামান্না আক্তার (২৩) নিজ বাড়িতে গলায় ফাঁস দেন। পরিবার জানালে, তাকে উদ্ধার করে নোয়াখালী ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় পাঠান। তবে ঢাকায় নিয়ে যাওয়ার পথে কুমিল্লা ক্যান্টনমেন্ট এলাকায় পৌঁছালে তার মৃত্যু ঘটে। পরে মরদেহ বাড়িতে নিয়ে গেলে পুলিশ সেখান থেকে লাশটি উদ্ধার করে।
এদিকে, চরআমানউল্যাহ ইউনিয়নের নয়াপাড়া গ্রামের ৮ নম্বর ওয়ার্ডের জসিম উদ্দিনের ছেলে হামিম (৩) বসতবাড়ির পুকুরে পানিতে ডুবে মৃত্যু হয়।
চরজব্বর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রফিকুল হাসান বলেন, দাউদুল ইসলাম ও তামান্না আক্তারের মরদেহ উদ্ধার করে সুরতহাল শেষ করার পর ময়নাতদন্তের জন্য ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। এসব ঘটনায় পৃথক অপমৃত্যুর মামলা হয়েছে। শিশুটির মরদেহ আইনি প্রক্রিয়া শেষে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন