প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
মালয়েশিয়ার সেলাঙ্গর রাজ্যের ক্লাং জেলার হেন্টিয়ান ক্লাং এলাকায় অবৈধ অভিবাসীদের বিরুদ্ধে একটি বিশাল যৌথ অভিযান সম্পন্ন করেছে দেশটির ইমিগ্রেশন বিভাগ।
রোববার (১২ জুলাই) স্থানীয় সময় দুপুর ১২টা থেকে শুরু হওয়া এই আকস্মিক অভিযানে সংশ্লিষ্ট এলাকার বিভিন্ন বাণিজ্যিক দোকানপাট, ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠান এবং হোস্টেলের ওপর একযোগে তল্লাশি চালানো হয়। অভিযান চলাকালীন ওই এলাকায় বসবাসরত ও কর্মরত ১ হাজারেরও বেশি বিদেশি নাগরিকের নথিপত্র পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে পরীক্ষা করে নিরাপত্তা বাহিনী।
এছাড়া, পুত্রাজায়া ও সেলাঙ্গর ইমিগ্রেশন বিভাগ, মালয়েশিয়া কোম্পানি কমিশন এবং সেলাঙ্গর অভ্যন্তরীণ বাণিজ্য ও ভোক্তা বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রায় ২৫০ জন কর্মকর্তার সমন্বয়ে এই বিশেষ যৌথ অভিযানটি পরিচালিত হয়।
অভিযান চলাকালীন নিরাপত্তা বাহিনী আটককৃত প্রত্যেক ব্যক্তির ভ্রমণ নথিপত্র যাচাই করেন। ইমিগ্রেশন আইন ১৯৫৯/৬৩-এর আওতাধীন অতিরিক্ত সময় অবস্থান (ওভারস্টে) বা বৈধ নথিপত্র না থাকার মতো লঙ্ঘনগুলো শনাক্ত করা হয়। বিশেষত বাংলাদেশ, নেপাল, মিয়ানমার, পাকিস্তান এবং ইন্দোনেশিয়ার নাগরিকদের লক্ষ্য করে এই স্ক্রিনিং প্রক্রিয়া পরিচালনা করা হয়।
এছাড়া, অবৈধ অভিবাসীদের আশ্রয়দাতা এবং অবৈধ নিয়োগকর্তাদের চিহ্নিত করার ওপর বিশেষ জোর দেয়া হয়েছে। অত্যন্ত সতর্কতার সাথে পরিচালিত এই তল্লাশির সময় বেশ কয়েকটি অস্থায়ী আবাসন থেকে অনৈতিক কার্যকলাপের প্রমাণ এবং নিষিদ্ধ পণ্য বিক্রির মতো নানা অবৈধ কর্মকাণ্ডও উন্মোচন করেছে কর্তৃপক্ষ।
অভিযানে আটককৃত সকল বিদেশি নাগরিককে পরবর্তী আইনি প্রক্রিয়া এবং বিশদ তদন্তের জন্য ইতিমধ্যে সেলাঙ্গর ইমিগ্রেশন অফিসে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। মালয়েশীয় কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, এই অভিযানের চূড়ান্ত ফলাফল, মোট আটকের সংখ্যা এবং সুনির্দিষ্ট অপরাধের বিস্তারিত বিবরণ আগামীকাল পুত্রজায়ায় এক সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করা হবে। ইমিগ্রেশন মহাপরিচালক জাকারিয়া শাবান ওই সংবাদ সম্মেলনে অভিযানের সার্বিক চিত্র তুলে ধরবেন বলে জানা গেছে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন