প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
প্রায় ২৪ ঘণ্টা নিখোঁজ থাকার পর বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের এক কেন্দ্রীয় নেতাকে অচেতন অবস্থায় উদ্ধার করা হয়েছে। উদ্ধার করার পর তাঁকে গুরুতর অবস্থায় হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
শুক্রবার (১২ জুন) রাত পৌনে ১০টার দিকে কুমিল্লার লাকসাম উপজেলার জংশন রোডে সহকারী পুলিশ সুপারের (লাকসাম সার্কেল) কার্যালয়ের পাশ থেকে তাঁকে উদ্ধার করা হয়।
উদ্ধার হওয়া ওই নেতার নাম জিসান প্রধান। তিনি ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় সহকারী আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক এবং কুমিল্লা জেলা পশ্চিম শাখার সাবেক সভাপতি।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, রাত পৌনে ১০টার সময় জিসান প্রধান জংশন রোডের পাশে একটি কনফেকশনারি দোকানে গিয়ে জরুরি আলাপের জন্য দোকানদারের কাছ থেকে মোবাইল ফোন চান। দোকানদার ফোন দিতে অক্ষমতা প্রকাশ করলে, সড়কে চলাচলরত এক রিকশাচালকের কাছ থেকে ফোন নিয়ে তিনি পরিচিত একটি নম্বরে প্রায় এক মিনিট কথা বলেন। ফোনালাপ শেষ হওয়ার পরই তিনি অচেতন হয়ে মাটিতে লুটিয়ে পড়েন।
এই ঘটনার খবর পেয়ে স্থানীয় জামায়াত নেতা অ্যাডভোকেট বডিউল আলম সুজন এবং আবু বক্করসহ দলীয় নেতাকর্মীরা ঘটনাস্থলে ছুটে আসেন। তারা দ্রুত তাঁকে উদ্ধার করে লাকসামের একটি বেসরকারি হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসা দেয়ার পর উন্নত চিকিৎসার জন্য তাঁকে কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। বর্তমানে তিনি সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আছেন।
জিসানের বড় ভাই অ্যাডভোকেট রাসেল রাফি জানান, তাঁর শারীরিক অবস্থা বর্তমানে সংকটাপন্ন। চিকিৎসকরা তাঁকে নিবিড় পর্যবেক্ষণে রেখে চিকিৎসা দিচ্ছেন।
এর আগে, বৃহস্পতিবার (১১ জুন) রাতে দাউদকান্দি মডেল মসজিদে এশার নামাজ আদায়ের পর থেকে জিসান প্রধান নিখোঁজ ছিলেন। এই ঘটনায় তাঁর পরিবার দাউদকান্দি মডেল থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন এবং পুলিশ প্রযুক্তির সহায়তায় তদন্ত শুরু করে। অবশেষে নিখোঁজ হওয়ার প্রায় ২৪ ঘণ্টা পরে তাঁকে লাকসামে অচেতন অবস্থায় পাওয়া যায়।
এ বিষয়ে লাকসাম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কাজী কামরুন নাহার লাইলি বলেন, ‘স্থানীয় লোকজন জিসান প্রধানকে অচেতন অবস্থায় উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যায়। খবর পেয়ে আমিও হাসপাতালে গিয়ে তাঁকে অজ্ঞান অবস্থায় দেখতে পাই। তিনি কীভাবে লাকসামে এলেন, তাঁর সঙ্গে কী ঘটনা ঘটেছে, এসব বিষয়ে পুলিশ গুরুত্বের সঙ্গে কাজ করছে। তদন্ত শেষে প্রকৃত ঘটনা জানা যাবে।’
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন