প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ মোজতবা খামেনি যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে একটি সমঝোতা স্মারক সইয়ের বিষয়ে নিশ্চিত করেছেন। তবে একইসাথে খামেনি দাবি করেন, এটা ইরানের আগ্রহের কারণে নয়, বরং আমেরিকার হতাশাই এই চুক্তির মূল চালিকাশক্তি ছিল।
স্থানীয় সময় বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) জাতির উদ্দেশে দেয়া একটি বার্তায় এই মন্তব্যগুলো করেন মোজতবা খামেনি।
ইরানের সর্বোচ্চ নেতা জনগণের উদ্দেশ্যে লেখেন, ‘এরই মধ্যে আপনারা জেনেছেন যে, ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্টের মধ্যে একটি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়েছে।’
তিনি বলেন, চুক্তি সইয়ের জন্য আমাদের কর্মকর্তারা আন্তরিকতার সাথে কাজ করেছেন, কিন্তু এটি পরিষ্কার যে আমেরিকান পক্ষই সবচেয়ে বেশি চাপ সৃষ্টি করেছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট হতাশাগ্রস্ত হয়ে চুক্তিটি সম্পন্ন করতে সমস্ত প্রকারের চাপ প্রয়োগ করেছেন।’
চুক্তিটি নিয়ে বর্ণনা করতে গিয়ে খামেনি বলেন, ‘ব্যক্তিগতভাবে কিছু ভিন্নতা ছিল। তবে নীতিগতভাবে আমার একটি ভিন্ন মত ছিল। তবে ইরানের প্রেসিডেন্ট জাতি ও প্রতিরোধ ফ্রন্টের অধিকার রক্ষার যে অঙ্গীকার করেছেন, তার ভিত্তিতে আমি এতে অনুমোদন দিয়েছি।
মোজতবা খামেনি এটাও উল্লেখ করেন, যুক্তরাষ্ট্র যদি চুক্তির বাইরে কিছু করতে চায়, তবে ইরান নতি স্বীকার করবে না। মার্কিন পক্ষ যদি অতিরিক্ত দাবি করে, তবে ইরানিরা নতি স্বীকার করবে না।
নিজেকে ইরানি জাতির একজন সেবক হিসেবে উল্লেখ করে, উল্লিখিত শর্তগুলো পূরণ হওয়া পর্যন্ত জনগণের প্রতি অপেক্ষা করার আহ্বান জানান মোজতবা খামেনি।
১৪ জুন ট্রাম্প ইরানের সঙ্গে যুদ্ধের অবসান ঘটাতে একটি সমঝোতা স্মারক চূড়ান্ত করার ঘোষণা দেন। গত বুধবার (১৭ জুন) ট্রাম্প ও ইরানি প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান অন্তর্বর্তীকালীন ওই চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন। ইরানের সঙ্গে হওয়া সমঝোতা স্মারকের ১৪ দফার বিস্তারিত আনুষ্ঠানিকভাবে যুক্তরাষ্ট্র প্রকাশ করেছে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন