প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
টাঙ্গাইলে এক নারীর অপহরণ ও সংঘবদ্ধ ধর্ষণের মামলায় তিন আসামিকে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছে আদালত।
টাঙ্গাইলের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক আ.ন.ম. ইলিয়াস আজ মঙ্গলবার (৭ জুলাই) দুপুরে আসামিদের উপস্থিতিতে এই রায় প্রদান করেন।
দণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন আ. রহিম, শফিকুল ইসলাম শফি এবং সামছুল হক সামছু।
আদালত ও রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী সূত্রে জানানো হয়েছে, ২০২৩ সালের ২২ জুন বিয়ের পাত্রী দেখানোর প্রলোভন দেখিয়ে ভুক্তভোগী ওই নারীকে জামালপুর থেকে টাঙ্গাইলের মধুপুরের দুখোলা বনাঞ্চলে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল। সেখানে প্রধান আসামি আ. রহিম এবং পরবর্তীতে অন্য দুই আসামি শফিকুল ইসলাম শফি এবং সামছুল হক সামছু মিলে তাকে সংঘবদ্ধভাবে ধর্ষণ করে। এই ঘটনায় ভুক্তভোগী মধুপুর থানায় একটি মামলা দায়ের করেছিলেন। পুলিশ তদন্ত শেষে আসামিদের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র (চার্জশিট) দাখিল করে।
রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী বিশেষ পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) অ্যাডভোকেট মো. ওমরাও খান দিলু জানিয়েছেন, দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়া ও সাক্ষ্যপ্রমাণ শেষে আদালত প্রধান আসামি আ. রহিমকে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০-এর ৭ ধারায় (অপহরণের দায়ে) ১৫ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড এবং ২০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করেন। এক্ষেত্রে তাকে আইনের ৯(৩) ধারায় (সংঘবদ্ধ ধর্ষণের দায়ে) যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড এবং এক লাখ টাকা অর্থদণ্ড দেওয়া হয়। অর্থদণ্ডের অনাদায়ে তাকে অতিরিক্ত কারাদণ্ড ভোগ করতে হবে।
তিনি আরও বলেন, মামলার অপর দুই আসামি শফিকুল ইসলাম শফি ও সামছুল হক সামছুকে একই আইনের ৯(৩) ধারায় দোষী সাব্যস্ত করে প্রত্যেককে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড ও এক লাখ টাকা করে অর্থদণ্ড দেওয়া হয়েছে। অনাদায়ে আরও দুই বছরের বিনাশ্রম কারাদণ্ডের আদেশ দিয়েছেন আদালত।
আদালতে আসামিপক্ষের মামলা পরিচালনা করেন অ্যাডভোকেট মো. শাহানশাহ সিদ্দিকী মিন্টু। রায় ঘোষণার পর কড়া নিরাপত্তায় দণ্ডপ্রাপ্ত তিন আসামিকে প্রিজন ভ্যানে করে টাঙ্গাইল জেলা কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন