প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক বদলি-পদায়নের নীতিমালায় আবারও বড় ধরনের পরিবর্তন করেছে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়। পরিবর্তনের আওতায়, কমিটিতে গণ্যমান্য ব্যক্তির পরিবর্তে শিক্ষানুরাগী ব্যক্তিদের অন্তর্ভুক্ত করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এছাড়া, নতুন ৭টি শর্তেও যুক্ত করা হয়েছে।
শনিবার (১৮ জুলাই) প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় সূত্রে এই তথ্য জানা গেছে।
গত বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) সংশোধিত নীতিমালা অনুযায়ী, উপজেলা, জেলা ও বিভাগীয় পর্যায়ের বদলি কমিটিতে সভাপতির মনোনীত দুজন করে বিদ্যোৎসাহী বা শিক্ষানুরাগী ব্যক্তি সদস্য হিসেবে অন্তর্ভুক্ত থাকবেন। পাশাপাশি, জাতীয় কমিটির সভাপতি হচ্ছেন প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক (ডিজি)। পূর্বে এই পদে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা সচিবকে রাখা হয়েছিল।
নতুন শর্তের অংশ হিসেবে, চাকরির ন্যূনতম দুই বছর পূর্ণ না হলে কোনো সহকারী শিক্ষক বদলির আবেদন করতে পারবেন না। যাদের বিদায়ের পর তিন বছর না হলে পুনরায় বদলির সুযোগ থাকবে না। অতিরিক্তভাবে, শূন্য পদের বিপরীতে বদলি করা হবে এবং শিক্ষকের আবেদন ছাড়া বদলি করা যাবে না। তবে, জনস্বার্থে জাতীয় কমিটির অনুমোদনে ব্যতিক্রম করা যেতে পারে।
এছাড়া, পাঁচজন বা তার কম শিক্ষক থাকা অথবা শিক্ষক-শিক্ষার্থী অনুপাত ১ দশমিক ৪০-এর বেশি এমন বিদ্যালয় থেকে বদলি করা যাবে না। একই বিদ্যালয় থেকে একাধিক আবেদন হলে জ্যেষ্ঠ শিক্ষককে অগ্রাধিকার দেওয়া হবে। এর পাশাপাশি, একটি বিদ্যালয়ে সর্বোচ্চ তিনজন শিক্ষককে সংযুক্তি পদায়ন করা হবে। সব শর্ত পূরণ সাপেক্ষে নারী শিক্ষকদের স্থায়ী বা স্বামীর ঠিকানার কাছাকাছি বিদ্যালয়ে বদলির ক্ষেত্রে অগ্রাধিকার প্রদানের বিষয়টিও উল্লেখ করা হয়েছে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন