প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
সংসদে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর মিছিল ও প্রতিবাদকে ‘মবক্রেসি’ বলা নিয়ে বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। বাজেট অধিবেশনে বাজেট প্রতিক্রিয়ায় এক সদস্য এ শব্দটি ব্যবহার করেন। জামায়াতের সংসদ সদস্য রাশেদুল ইসলাম পয়েন্ট অব অর্ডারে দাঁড়িয়ে স্পিকারের নজরে বিষয়টি আনেন এবং বলেন, জামায়াতে ইসলামী যে মিছিল ও প্রতিবাদ করেছে, সে প্রসঙ্গে এক সদস্য সেটিকে ‘মবক্রেসি’ বলে অভিহিত করেছেন। তিনি স্পিকারের কাছে এই শব্দটি সংসদের কার্যবিবরণী থেকে বাদ দেওয়ার অনুরোধ জানান। স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ এ বিষয়ে প্রতিক্রিয়া জানিয়ে বলেন, ‘এটি কোনো অশ্লীল শব্দ নয় এবং কার্যবিবরণী থেকে বাদ দেওয়ার মতো বিষয় নয়।’ তিনি সংশ্লিষ্ট সদস্যকে পরামর্শ দিয়ে বলেন, যখন তিনি বাজেটের ওপর বক্তব্য দেবেন, তখন তিনি যেন বিষয়টি নিয়ে ভালোভাবে জবাব দেন। বিরোধীদলীয় নেতা স্পিকারের দৃষ্টি আকর্ষণ করে বলেন, মবক্রেসি শব্দটি ভালো অর্থ বহন করে না এবং এটি একটি আপত্তিকর শব্দ। তিনি ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, সংশ্লিষ্ট সদস্য হয়তো সচেতন না থেকেও এই শব্দটি বলে ফেলেছেন। বাজেটের পর এ ধরনের প্রতিক্রিয়া বা আন্দোলন শুধু জামায়াতই করেনি, আশপাশের অন্যান্য দলও বহুবার এই কাজটি করেছে। তাই তিনি প্রশ্ন করেন, অতীতের গণতান্ত্রিক প্রতিক্রিয়াও কি মবক্রেসি ছিল? এ নিয়ে তিনি দাবি জানান যে, এই শব্দটি সংসদে অত্যন্ত অপ্রাসঙ্গিক এবং এক্সপাঞ্জ হওয়া উচিত। বিরোধীদলীয় নেতার আপত্তির পর স্পিকার জানান, মবক্রেসি এখন একটি সাধারণ শব্দ হয়ে গেছে এবং বর্তমানে অনেকের বক্তৃতাতেই এটি শোনা যায়। তিনি আবারও বলেন, এটি কোনো অশ্লীল শব্দ নয় এবং অসংসদীয় বলেও মনে হওয়ার কারণ নেই। স্পিকার সদস্যদের উদ্দেশে আরও বলেন, তারা চাইলে এ শব্দ ব্যবহার করতে পারেন, কারণ এটি মূলত রাজনীতিতে নিন্দনীয় ডেমোক্রেসির বিরুদ্ধে ব্যবহৃত একটি রাজনৈতিক শব্দ। এবং তাই এটি সংসদে এক্সপাঞ্জ হওয়ার মতো কিছু নয়।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন