প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
মেঘনা নদীর মোহনায় বঙ্গোপসাগরের বুকে জেগে ওঠা নিঝুম দ্বীপের বালুতে মূল্যবান ভারী খনিজ (টিএইচএম) একটি গবেষণায় মিলেছে। গবেষণায় বলা হয়েছে, এর পরিমাণ প্রায় ২৫ শতাংশ।
এক্স-রে (এক্সআরডি) বিশ্লেষণের ফলাফলে ওই অঞ্চলের বালুর ভারী খনিজের ঘনীভূত অংশে সিলিম্যানাইট, গারনেট (অ্যালম্যান্ডিন), জিরকন, রুটাইল, ইলমেনাইট, জেনোটাইম, মোনাজাইট ও ক্যানাইটসহ বিভিন্ন খনিজ শনাক্ত করা হয়েছে। এছাড়াও, অ্যাম্ফিবোল ও পাইরক্সিন গ্রুপের আরো বেশ কিছু খনিজের উপস্থিতিও পাওয়া গেছে।
গবেষণায় বলা হয়েছে, নমুনায় অনেক ধরনের স্বতন্ত্র খনিজ রয়েছে। তবে এসব খনিজের একাধিকটির এক্সআরডি পিক পরস্পরের সঙ্গে মিলে যাওয়ায়, এক্সআরডি পদ্ধতিতে সেগুলো আলাদাভাবে শনাক্ত করা কঠিন হয়ে পড়েছে।
চৌম্বকীয় অংশের সর্বোচ্চ তীব্রতায় প্রধানত এনস্টাটাইটের উপস্থিতি দেখা গেছে ভোলার এই দ্বীপটির বালুতে। পাশাপাশি বায়োটাইট, পারগাসাইট, মাসকোভাইট, সোডালাইট, ডায়োপসাইড, ম্যাগনেসাইট, পাইরক্সিন, স্পিনেল, ট্রেমোলাইট, অ্যানোরথাইট, ম্যাগনেসিওফেরাইট, টাইটানাইট, ক্যানাইট, পেরিক্লেজ, স্পোডুমিন, হর্নব্লেন্ড, অ্যালম্যান্ডিন ও মোনাজাইটের উপস্থিতিও শনাক্ত হয়েছে।
গবেষণায় এসব খনিজ শনাক্ত করতে জাপানের রিগাকু কম্পানির ‘স্মার্টল্যাব এসই’ এক্স-রে ডিফ্র্যাক্টোমিটার এবং এক্স’পার্ট হাইস্কোর প্লাস সফটওয়্যারের স্বয়ংক্রিয় ম্যাচিং ডেটা ব্যবহার করা হয়েছে।
এদিকে বাংলাদেশের নদ-নদীর বালুতে সেমিকন্ডাক্টর শিল্পের প্রয়োজনীয় কাঁচামাল তৈরির সম্ভাবনা যাচাইয়ের জন্য প্রথমবারের মতো জরিপ চালানো হয়েছে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন