প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
রংপুর মহানগর এলাকার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা ও মাদক নির্মূল, অপরাধ নিয়ন্ত্রণ এবং জননিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বিশেষ অভিযানে ১৯ জনকে গ্রেপ্তার করেছে রংপুর মহানগর পুলিশ (আরএমপি)। গ্রেপ্তারকৃতদের মধ্যে রয়েছে হত্যা মামলার আসামি, মাদক কারবারি, মাদকসেবী এবং পরোয়ানাভুক্তসহ বিভিন্ন মামলার আসামি। একই সঙ্গে অভিযানে ইয়াবা উদ্ধার হয়েছে।
শনিবার (২০ জুন) দুপুরে রংপুর মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের উপ-পুলিশ কমিশনার সনাতন চক্রবর্তী বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
পুলিশের মিডিয়া সেল সূত্রে জানা যায়, নগরীর আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখা, মাদক ও অপরাধ দমনে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ, ওয়ারেন্টভুক্ত আসামিদের গ্রেপ্তার করা এবং জননিরাপত্তা জোরদারের লক্ষ্যে মহানগর পুলিশের সব ইউনিটের সমন্বয়ে ২৪ ঘণ্টায় বিশেষ অভিযান পরিচালনা করা হয়।
মোট ১৯ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে, যাদের মধ্যে হত্যার মামলার আসামি, মাদকসেবী, মাদক মামলার আসামি এবং পরোয়ানাভুক্ত আসামি রয়েছে। এ সময় তাদের কাছ থেকে ইয়াবা উদ্ধারও হয়েছে।
এই ঘটনায় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।
গ্রেপ্তারদের তালিকায় রয়েছে মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের অভিযানে নগরীর ইসলামবাগ এলাকার ফজলু মিয়ার ছেলে আসিফ মিয়া (২৪), গণেশপুর ক্লাবমোড় এলাকার মোন্নাফ (২৮), বনানীপাড়া এলাকার লিটন মিয়া (২৭) এবং লালবাগ কেডিসি এলাকার স্বপন মিয়া (৫৮)।
কোতোয়ালি থানা পুলিশের অভিযানে গ্রেপ্তার হন মিজানুর রহমান মনু (৩৬), দেলোয়ার হোসেন হাসান (৫৫), পরশুরাম থানা পুলিশের অভিযানে গ্রেপ্তার হন ছাদেক মিয়া (৪৫), মোখছেদুর রহমান (৭০), শাহিনুজ্জামান সাজু (৪৪), শামীম মিয়া, লিটন মিয়া (৩৪) এবং মোন্নাফ (৪৫)।
হারাগাছ থানা পুলিশের অভিযানে আটক হন সাইফুল ইসলাম (৩০), হিমেল (২৮), মো. আব্দুস সাত্তার মিয়া এবং মো. রবিউল ইসলাম।
মাহিগঞ্জ থানা পুলিশের বিশেষ অভিযানে গ্রেপ্তার করা হয় শামীম আরফান বাপ্পীকে।
অন্যদিকে, তাজহাট থানা পুলিশের অভিযানে লিটন মিয়া (৩৬) ও রনি মিয়া (২০) গ্রেপ্তার হন।
পুলিশ সূত্রে আরও জানা যায়, মহানগরীর বিভিন্ন এলাকায় অপরাধপ্রবণতা রোধ, মাদক ব্যবসা নিয়ন্ত্রণ এবং পলাতক আসামিদের আইনের আওতায় আনতে নিয়মিতভাবে এ ধরনের অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে। সম্প্রতি মাদক ও অপরাধবিরোধী কার্যক্রম আরো জোরদার করা হয়েছে, যা অপরাধ নিয়ন্ত্রণে ইতিবাচক প্রভাব ফেলছে বলে মনে করছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।
রংপুর মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের উপ-পুলিশ কমিশনার সনাতন চক্রবর্তী জানান, মহানগর এলাকায় অপরাধ দমন, মাদক নির্মূল এবং জননিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
বিশেষ অভিযানে গ্রেপ্তার সব আসামির বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট আইনে মামলা অথবা নন-এফআইআর প্রসিকিউশনের মাধ্যমে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা এবং নগরবাসীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ভবিষ্যতে মহানগর পুলিশের এ ধরনের বিশেষ অভিযান চলমান থাকবে। মাদক, সন্ত্রাস ও অপরাধের বিরুদ্ধে পুলিশের অবস্থান হচ্ছে জিরো টলারেন্স।
পুলিশের এই অভিযানে নগরবাসীর নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ এবং অপরাধ নিয়ন্ত্রণে চলমান কার্যক্রমের অংশ হিসেবে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, জনস্বার্থে ভবিষ্যতেও নিয়মিত ও বিশেষ অভিযান পরিচালনা করা হবে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন