ঢাকা শুক্রবার, ০৮ই মে, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ২৫শে বৈশাখ, ১৪৩২বঙ্গাব্দ ২২শে জ্বিলকদ, ১৪৪৭হিজরী
শুক্রবার, ০৮ই মে, ২০২৬ইং ২৫শে বৈশাখ, ১৪৩২বাং

মেধা বিকাশের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের আন্তর্জাতিক পর্যায়ে আগামীর অ্যাম্বাসেডর হতে হবে: প্রধানমন্ত্রী


মেধা বিকাশের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের আন্তর্জাতিক পর্যায়ে আগামীর অ্যাম্বাসেডর হতে হবে: প্রধানমন্ত্রী

নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস আয়োজনের গুরুত্ব তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, দেশের সকল শিক্ষার্থীদের শিক্ষার পাশাপাশি খেলাধুলার প্রতি গুরুত্ব দিতে হবে। প্রত্যেক শিক্ষার্থীকে মেধা বিকাশের মাধ্যমে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে আগামীর অ্যাম্বাসেডর হতে হবে।

শনিবার (০২ মে) সিলেট স্টেডিয়ামে শিশু-কিশোরদের উপস্থিতিতে ‘ক্রীড়া হলে পেশা, পরিবার পাবে ভরসা’- এ স্লোগানকে সামনে রেখে নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস-২০২৬-এর উদ্বোধন করে এসব কথা বলেন তিনি।

বিকেল ৫টায় মহানগরীর রিকাবীবাজারে সিলেট স্টেডিয়ামে শিশু-কিশোরদের উপস্থিতিতে একটি লাল বাটন চেপে ট্রফি ও লোগো উন্মোচনের মাধ্যমে এই কর্মসূচির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী।

আরও পড়ুন: মির্জা ফখরুলকে রাজশাহীতে স্বাগত জানালেন রাসিক প্রশাসক

পরে সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে সরকার প্রধান বলেন, আদর্শ ও মেধাবী মানুষ হিসেবে নিজেদের (শিশু) গড়ে তুলতে সকল ধরণের সহযোগিতা করবে সরকার।

দেশের সকল শিক্ষার্থীদের শিক্ষার পাশাপাশি খেলাধুলার প্রতি গুরুত্ব দিতে হবে এ কথা জানিয়ে প্রত্যেক শিক্ষার্থীকে মেধা বিকাশের মাধ্যমে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে আগামীর অ্যাম্বাসেডর হওয়ার আহ্বান জানান প্রধানমন্ত্রী।

বক্তব্য শেষে পুরো মাঠ ঘুরে ক্ষুদে প্রতিযোগী ও স্টেডিয়ামের গ্যালারিতে থাকা শিক্ষার্থীদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন সরকার প্রধান। এসময় আনন্দঘন পরিবেশ তৈরি হয় সিলেট জেলা স্টেডিয়াম।

সারা দেশের জেলা স্টেডিয়ামগুলোতেও এ সময় ভার্চুয়ালি যুক্ত ছিলেন খুদে ক্রীড়াবিদরা। যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক এ সময় প্রধানমন্ত্রীর পাশে ছিলেন।

আরও পড়ুন: দক্ষ মানবপুঁজি তৈরির লক্ষ্যে শিক্ষায় বিনিয়োগ বাড়ানোর কাজ করছে সরকার

সারাদেশে শিশু-কিশোরদের মধ্য থেকে প্রতিভা অন্বেষণে এ উদ্বোধনের মাধ্যমে ‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস’-এর যাত্রা শুরু হলো। এর মাধ্যমে তৃণমূল পর্যায় থেকে প্রতিভাবান ক্রীড়াবিদ গড়ে তুলতে আশির দশকের জনপ্রিয় প্রতিভা অন্বেষণ কর্মসূচি ‘নতুন কুঁড়ি’র ধারাবাহিকতায় এবার ইউনিয়ন ও সিটি করপোরেশনের ওয়ার্ড পর্যায় থেকে এই কার্যক্রম শুরু করল সরকার।

১২ থেকে ১৪ বছর বয়সী শিশু-কিশোরদের সুপ্ত ক্রীড়া প্রতিভা অন্বেষণ, বাছাই এবং রাষ্ট্রীয়ভাবে তাদের প্রতিভা বিকাশের সুযোগ তৈরি করাই এই কর্মসূচির মূল লক্ষ্য।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

লিভারপুল ছাড়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন সালাহ; সময় এসেছে যাওয়ার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

শনিবার, ২ই মে, ২০২৬ ইং

০৮:১৫ পি.এম


লিভারপুল ছাড়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন সালাহ; সময় এসেছে যাওয়ার

মিশরীয় উইঙ্গার মোহাম্মদ সালাহ এখন লিভারপুল ছাড়ার দ্বারপ্রান্তে চলে এসেছেন। মৌসুমের শেষে তিনি নিজ শর্তেই ক্লাব ছাড়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।

এবারের গ্রীষ্মে তিনি অ্যানফিল্ডে নয় বছরের বর্ণাঢ্য ক্যারিয়ারের ইতি টানতে যাচ্ছেন। সদ্য এক বছরে নবায়ন করা দুই বছরের চুক্তি সংক্ষিপ্ত করতে ক্লাবের সঙ্গে তিনি সমঝোতায় পৌঁছেছেন।

চলতি মৌসুমটি সালাহর জন্য বিশেষভাবে হতাশাজনক ছিল। বিশেষ করে ডিসেম্বর মাসে কোচ আর্নে স্লটের সঙ্গে প্রকাশ্য বিরোধ নিয়ে তুমুল আলোচনা শুরু হয়েছিল।

আফ্রিকান নেশন্স কাপ থেকে ফেরার পর তাদের সম্পর্ক কিছুটা স্বাভাবিক হলেও, শেষ পর্যন্ত সালাহ ও লিভারপুলের আলাদা পথে হাঁটার সিদ্ধান্ত প্রমাণ করে সবকিছু পুরোপুরি ঠিক ছিল না। জানা গেছে, লিভারপুল তাকে সপ্তাহে প্রায় ৪ লাখ পাউন্ড বেতনের চুক্তি থেকে মুক্তি দিয়েছে, কোনও ট্রান্সফার ফি ছাড়াই।

সাবেক অধিনায়ক স্টিভেন জেরার্ডকে দেওয়া সাক্ষাত্কারে সালাহ বলেছেন, “এই মৌসুম পার করে আমি মনে করি এখনই যাওয়াটা সঠিক সিদ্ধান্ত এবং আমি এতে শান্তি পাচ্ছি।”

তিনি আরও বলেন, “এই মৌসুম আমাদের সবার জন্য কঠিন ছিল, বেশি কিছু বলতে চাই না। যা ঘটছে, তা আমাকে মনে করিয়ে দিয়েছে, এখনই যাওয়ার সময়। তাই আমি খুশি।”

মৌসুমের শেষ ঘরের ম্যাচ ব্রেন্টফোর্ডের বিপক্ষে তিনি বিদায় নিতে আশাবাদী। বর্তমানে চোটে থাকলেও, তিনি জানিয়েছেন, সেই ম্যাচের আগে হয়তো ফিরে আসবেন।

সালাহ বলেছেন, “আমি খুশি যে আমি নিজে শর্তে বড়ভাবে বিদায় নিচ্ছি। জেরার্ড আমাকে বলেছিলেন ‘নিজের শর্তে বিদায় নাও’, সেই কথাটা এখনও মনে আছে।”

ভবিষ্যৎ নিয়ে তিনি এখনও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেননি, তবে তার সামনে বেশ কিছু ভালো বিকল্প রয়েছে বলে জানান তিনি।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

আমতলীতে খাল খনন প্রকল্পের উদ্বোধন অনুষ্ঠিত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শনিবার, ২ই মে, ২০২৬ ইং

০৮:১৭ পি.এম


আমতলীতে খাল খনন প্রকল্পের উদ্বোধন অনুষ্ঠিত

 

অতিদরিদ্র জনগোষ্ঠির কর্মসংস্থা সন্তানের লক্ষে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান খাল খনন কর্মসূচী হাতে নিয়েছেন। শনিবার আমতলী উপজেলার এ প্রকল্পের আওতায় দুইটি খাল খননের কর্মসূচীর উদ্বোধন করেন বরগুনা-১ আসনের সংসদ সদস্য মাওলানা মোঃ মাহমুদুল হোসাইন অলি উল্লাহ।

জানা গেছে, অতিদরিদ্র জনগোষ্ঠির কর্মসংস্থানের লক্ষে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান আমতলী উপজেলায় দুটি খাল খননের উদ্যোগ গ্রহণ করেছেন। দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তর গত ৮ এপ্রিল কুকুয়া ইউনিয়নের পশ্চিম কেওয়াবুনিয়া খালের ৩ কিলোমিটার খননের জন্য ৭৭ লাখ ২৮ হাজার ৮৪২ টাকা বরাদ্দ দিয়েছে এবং হলদিয়া ইউনিয়নের পশুরবুনিয়া খালের ২ কিলোমিটার খননের জন্য ৫১ লাখ ৫৩ হাজার ৯৯৫ টাকা বরাদ্দ প্রদান করেছে। এ খাল খননে ৩৯৭ জন হতদরিদ্র উপকারভোগী এই কাজ করবেন। সংশ্লিষ্ট ইউনিয়ন উন্নয়ন বাস্তবায়ন কমিটি এ খাল খননে সহায়তা করতে থাকবে। শনিবার বরগুনা-১ আসনের সংসদ সদস্য মাওলানা মোঃ মাহমুদুল হোসাইন অলি উল্লাহ এ খাল খননের উদ্বোধন করেন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন আমতলী উপজেলা নির্বাহী অফিসার মুহাম্মাদ জাফর আরিফ চৌধুরী, ওসি আবু সাহাদাৎ মোঃ হাসনাইন পারভেজ, প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মোঃ মাসুম, কুকুয়া ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান মোঃ বোরহান উদ্দিন মাসুম তালুকদার, উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি মোঃ জালাল উদ্দিন ফকির, সদস্য সচিব তুহিন মৃধা, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ আমতলী শাখার সভাপতি মাওলানা ওমর ফারুক জেহাদী এবং পৌর বিএনপির আহ্বায়ক মোঃ কবির ফকির প্রমুখ।

বরগুনা-১ আসনের সংসদ সদস্য মাওলানা মোঃ মাহমুদুল হোসাইন অলি উল্লাহ বলেন, অতিদরিদ্র জনগোষ্ঠির কর্মসংস্থানের জন্য প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান খাল খননের প্রকল্প হাতে নিয়েছেন। তিনি বলেন, এ প্রকল্প বাস্তবায়ন হলে দুইটি ইউনিয়নের কয়েক হাজার কৃষক উপকৃত হবে। তিনি আরো বলেন, প্রান্তিক জনগোষ্ঠির উন্নয়নেই প্রধানমন্ত্রী কাজ করে যাচ্ছেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বীর মুক্তিযোদ্ধাকে নির্যাতনের অভিযোগে বাবুগঞ্জে উত্তেজনা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শনিবার, ২ই মে, ২০২৬ ইং

০৮:১৯ পি.এম


বীর মুক্তিযোদ্ধাকে নির্যাতনের অভিযোগে বাবুগঞ্জে উত্তেজনা

বরিশালের বাবুগঞ্জ উপজেলার চাঁদপাশা ইউনিয়নের বায়লাখালী গ্রামে ৭৫ বছর বয়সী বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল মতিন হাওলাদারকে নির্যাতন করে বাড়িছাড়া করার অভিযোগ উঠেছে তাঁর ভাইয়ের ছেলেদের বিরুদ্ধে। যদিও অভিযুক্তরা এই অভিযোগ অস্বীকার করেছে এবং উল্টো তাঁদের বিরুদ্ধে হামলার মামলা করেছেন। এই ঘটনার ফলে এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। অভিযোগের সূত্রে জানা যায়, স্ত্রী-সন্তানহীন আব্দুল মতিন হাওলাদার দীর্ঘদিন ধরে তাঁর মৃত ছোট ভাই আব্দুল মান্নান হাওলাদারের পরিবারের সঙ্গে বসবাস করে আসছিলেন। তিনি অভিযোগ করেছেন যে, জীবদ্দশায় তাঁর বড় ভাই আব্দুর রাজ্জাক হাওলাদার বিভিন্ন সময় তাঁর ওপর নির্যাতন চালাতেন। ভাইয়ের মৃত্যুর পর, তার দুই ছেলে বাইজিদ হোসেন জাহিদ (৩৩) ও রুহুল আমিন সাঈদ (৩০) তাঁর পৈত্রিক সম্পত্তি দখলের চেষ্টা শুরু করে। মতিন হাওলাদার দাবি করেন, সম্পত্তি দিতে অস্বীকার করলে তাঁর ওপর শারীরিক নির্যাতন চালানো হয় এবং হুমকি-ধমকি দিয়ে বাড়িছাড়া করা হয়েছে। তিনি জানান, মিথ্যা মামলার মাধ্যমে তাঁকে হয়রানি করা হচ্ছে এবং বর্তমানে তিনি নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন। তিনি প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন। মতিন হাওলাদার বলেন, "আমার কোনো স্ত্রী-সন্তান নেই। এই সুযোগ নিয়ে তারা আমার সম্পত্তি দখল করতে চায়। নির্যাতন করে আমাকে বাড়ি ছাড়তে বাধ্য করেছে। এখন আমি নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছি।" অভিযুক্তদের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে যে, রুহুল আমিন সাঈদ বলেন, "গত ১৭ এপ্রিল তাঁর চাচা আচমকাই আমার ওপর হামলা করেন এবং লোহার শাবল দিয়ে মাথায় গুরুতর আঘাত করেন।" পরে তিনি চিকিৎসার জন্য বরিশাল শেরেবাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে যান। এ ঘটনায় তারা আদালতের আশ্রয় নিয়েছেন। বাইজিদ হোসেন জাহিদ বলেন, "আমার চাচা আমাদের সঙ্গে প্রায়ই বিরোধ সৃষ্টি করেন। তিনি তাঁর সম্পত্তি অন্যত্র লিখে দেওয়ার চেষ্টা করছেন। আমরা ন্যায়বিচারের জন্য আদালতে গিয়েছি।" স্থানীয় বাসিন্দা রেজাউল করিম জানান, মুক্তিযোদ্ধা মতিন হাওলাদার এলাকায় ভদ্র মানুষ হিসেবে পরিচিত। তবে পরিবারে জমি-সংক্রান্ত বিরোধ দীর্ঘদিন ধরে চলে আসছে। এই বিরোধ থেকেই সাম্প্রতিক সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে বলে তিনি মনে করেন। ঘটনাটি নিয়ে এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে এবং স্থানীয়রা দ্রুত তদন্ত করে সুষ্ঠু সমাধানের জন্য প্রশাসনের কাছে হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

কলাপাড়ায় টর্নেডো ও ঝড়ে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শনিবার, ২ই মে, ২০২৬ ইং

০৮:২২ পি.এম


কলাপাড়ায় টর্নেডো ও ঝড়ে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি

পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় গত তিন দিনে হঠাৎ ঝড় ও টর্নেডোতে শত শত ঘর বাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। উপড়ে ভেঙ্গে পড়েছে বিদ্যুতের খুঁটি। এর ফলে বিভিন্ন গ্রামে বিদ্যুৎ বন্ধ হয়ে গেছে। শত শত গাছপালা ভেঙে রাস্তায় পড়ে রয়েছে। ফসলের মাড় পানিতে তলিয়ে গেছে, সেখানে এখন ফসলের পরিবর্তে ভাঙা ঘরের অংশ ছড়িয়ে ছিটিয়ে রয়েছে। হঠাৎ টর্ণেডোতে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে কলাপাড়ার নীলগঞ্জ। কলাপাড়া উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা জানিয়েছেন, উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে ক্ষতিগ্রস্তদের তালিকা তৈরির কাজ চলছে। ইতিমধ্যে ৩০ পরিবারকে টিন ও খাদ্য সহায়তা দেয়া হয়েছে। গত ২৮ এপ্রিল থেকে পহেলা মে সকাল পর্যন্ত কলাপাড়ার ১২ টি ইউনিয়নে হঠাৎ কাল বৈশাখী ঝড় ও কয়েক সেকেন্ড স্থায়ী টর্ণেডো বয়ে যায়। এর ফলে লন্ডভন্ড হয়ে গেছে গ্রামের পর গ্রাম। তবে বিশেষভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে আন্ধার মানিক নদীর তীরবর্তী নীলগঞ্জ ইউনিয়ন। ঝড় ও টর্ণেডোর সাথে মুষলধারায় বৃষ্টি ও দমকা বাতাসে গত তিন দিন ধরেই কলাপাড়া উপকূল জুড়ে দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়া বিরাজ করছে। এর ফলে বসতঘরসহ ফসল হারিয়ে এখন মানবেতর জীবন যাপন করছে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলো। নীলগঞ্জের অতিগ্রস্ত পরিবারের সদস্যদের অবস্থা এমন যে, বর্তমানে ভাত খাওয়ার জন্য থালা বাটি পর্যন্ত নেই। পড়নের জামা কাপড় ছাড়া অন্য কোনো কাপড়ও নেই। তবে এসব পরিবারের সহায়তায় এখন পর্যন্ত কেউ এগিয়ে আসেনি।

সরজমিনে গিয়ে দেখা যায়, কেউ ঝড়ে উড়ে নিয়ে যাওয়া হাঁড়ির ভেজা চাল, ডাল শুকিয়ে নিচ্ছে। কেউ বই খাতা রোদে শুকাচ্ছে। কেউ ভাঙা ঘর থেকে টিন, কাঠ ফসলের মাঠ ও গাছের উপর থেকে সংগ্রহ করে নিয়ে আসছে। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের সদস্য স্বপন, রহমান এবং স্বপন তালুকদার জানান, হঠাৎ আগুনের ফুলকির মতো এসে মুহূর্তের মধ্যেই ঘর উড়িয়ে নিয়ে যায়। ভাগ্য ভালো শিশু বৃদ্ধরা প্রাণে বেঁচে গেছে। এখন তারা আবার নতুন করে ঘর তুলতে পারবে না। তাদের হিসেব অনুযায়ী গড়ে প্রতিটি পরিবারের দুই থেকে পাঁচ লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে। নষ্ট হয়েছে ফসল। এমনকি ঘরের কোনো মালামালও আর অক্ষত নেই। কিন্তু তাদের সহায়তায় কেউ এখনো এগিয়ে আসিনি।

গ্রামবাসীরা জানান, এমন ঝড়, বাতাস ও টর্নেডো তারা বহু বছর দেখেননি। মুহূর্তের মধ্যে সবকিছু যেন উড়িয়ে নিয়ে গেছে। টর্নেডো যেখানে গিয়েছিল, সেখানকার গাছপালা ও বিদ্যুতের খুঁটি সবকিছুকে ভেঙে চুরমার করে দিয়েছে। এসব পরিবারের জন্য সরকারি সহায়তা ছাড়া আর কোনো উপায় নেই। নীলগঞ্জের নারী সমাজকর্মী ও সাবেক ইউপি সদস্য মাহিনুর বেগম বলেন, ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের জরুরী খাদ্য ও বসত ঘর সহায়তা প্রয়োজন। কোনো পরিবারের রান্না করার পাতিল পর্যন্ত নেই। আর রাত হলে শিশু নারীরা কোথায় থাকবেন, এ নিয়ে পরিবারগুলোর মধ্যে দুশ্চিন্তা বাড়ছে। কলাপাড়া উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মোকছেদুল আলম বলেন, গত তিন দিনের ঝড় ও টর্নেডোতে ক্ষতিগ্রস্ত ৩০ পরিবারকে তারা ইতিমধ্যে এক বান্ডিল করে ঢেউটিন ও খাদ্য সহায়তা প্রদান করেছেন। ক্ষতিগ্রস্ত সকল পরিবারের তালিকা তৈরির কাজ চলছে। তাদের সরকারি সহায়তা প্রদান করা হবে। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. কাউছার হামিদ জানিয়েছেন, উপজেলার ১২ টি ইউনিয়ন ও দুটি পৌরসভায় জনপ্রতিনিধিরা তালিকা তৈরি করছে। তাৎক্ষণিকভাবে ক্ষতিগ্রস্থ পরিবারগুলোকে খাদ্য সহায়তা দেয়া হচ্ছে। ৩০ পরিবারকে গৃহ নির্মাণের জন্য এক বান্ডিল ঢেউটিন দেয়া হয়েছে। পর্যায়ক্রমে সকল ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারকে সহায়তা করা হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ২২শে জ্বিলকদ, ১৪৪৭হিঃ
ফজর ০৩:৫৮
জোহর ১১:৫৬
আসর ০৪:৩২
মাগরিব ০৬:৩০
ইশা ০৭:৪৭
সূর্যোদয় : ০৫:২০ সূর্যাস্ত : ০৬:৩০
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%